বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬

প্রতিষ্ঠার ৪৮ বছরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল

তারুণ্যের শক্তি, গণতন্ত্রের আকাঙ্ক্ষা ও আগামীর বাংলাদেশের প্রত্যাশা

সম্পাদকের ডেস্ক

বাংলাদেশের রাজনীতিতে তারুণ্য বরাবরই পরিবর্তন, প্রতিবাদ ও নতুন স্বপ্নের অন্যতম চালিকাশক্তি। দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন, রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম এবং জাতীয় রাজনীতির নানা বাঁকবদলে যুবসমাজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এই বাস্তবতায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপির অন্যতম সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল আজ ২৭ অক্টোবর ২০২৬ তার ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন করছে।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে দীর্ঘ পথপরিক্রমায় সংগঠনটি যেমন রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়েছে, তেমনি নানা সময়ে নেতৃত্বের বিকাশ, সাংগঠনিক বিস্তার ও রাজনৈতিক বিতর্কেরও অংশ হয়েছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী তাই কেবল অতীতের স্মৃতিচারণের উপলক্ষ নয়; বরং সংগঠনটির অর্জন, সীমাবদ্ধতা, বর্তমান অবস্থান এবং ভবিষ্যৎ করণীয় পর্যালোচনারও একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক ও দেশের রাজনীতিতে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে যাত্রার সূচনা
১৯৭৮ সালের ২৭ অক্টোবর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল প্রতিষ্ঠা করেন। যুবসমাজকে সংগঠিত করা, জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দর্শনে উদ্বুদ্ধ করা এবং রাষ্ট্র গঠন ও উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডে তরুণদের সম্পৃক্ত করাই ছিল সংগঠন প্রতিষ্ঠার অন্যতম লক্ষ্য। প্রতিষ্ঠাকালীন আহ্বায়ক ছিলেন আবুল কাশেম, যিনি পরবর্তী সময়ে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হন। সাইফুর রহমান দায়িত্ব পালন করেন প্রথম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে।

‘যুব, ঐক্য ও প্রগতি’—এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে যাত্রা শুরু করা যুবদল সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিএনপির রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নের অন্যতম সাংগঠনিক শক্তিতে পরিণত হয়। দেশের বিভিন্ন জেলা, মহানগর, উপজেলা ও স্থানীয় পর্যায়ে সংগঠনটির বিস্তার ঘটে। রাজনৈতিক কর্মসূচি, মিছিল-সমাবেশ, গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের আন্দোলন এবং দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রমে যুবদলের নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহণ সংগঠনটিকে জাতীয় রাজনীতিতে দৃশ্যমান অবস্থান দিয়েছে।

আন্দোলন-সংগ্রাম ও রাজনৈতিক পথপরিক্রমা
বাংলাদেশের রাজনীতির গত প্রায় পাঁচ দশকের ইতিহাস নানা আন্দোলন, ক্ষমতার পালাবদল, গণতন্ত্রের সংকট ও রাজনৈতিক মেরুকরণের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়েছে। এসব ঘটনাপ্রবাহের সঙ্গে যুবদলের পথচলাও নিবিড়ভাবে যুক্ত।

বিএনপির রাজনৈতিক আন্দোলনে যুবদল বিভিন্ন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। দলীয় নেতাদের মুক্তি, নির্বাচনব্যবস্থা, রাজনৈতিক অধিকার এবং সরকারবিরোধী কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা রাজপথে সক্রিয় থেকেছেন। আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে মামলা, গ্রেপ্তার, সংঘর্ষ ও রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হওয়ার অভিযোগও বিভিন্ন সময়ে সংগঠনটির পক্ষ থেকে উত্থাপিত হয়েছে।

তবে একটি রাজনৈতিক সংগঠনের ইতিহাস মূল্যায়নে শুধু আন্দোলন-সংগ্রামের বিবরণ যথেষ্ট নয়। তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ধরন, গণতান্ত্রিক চর্চার প্রতি অঙ্গীকার, জনসম্পৃক্ততা এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতাও বিবেচনায় নিতে হয়। যুবদলের ক্ষেত্রেও এই মূল্যায়ন জরুরি।

গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক মতপার্থক্যকে সহনশীলতার সঙ্গে গ্রহণ, প্রতিপক্ষের অধিকারকে সম্মান এবং শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখার ক্ষেত্রে সংগঠনটির ভূমিকা ভবিষ্যৎ মূল্যায়নের গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড হয়ে থাকবে।

তারুণ্যের রাজনীতি: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি বড় অংশ তরুণ। কর্মসংস্থান, মানসম্মত শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, উদ্যোক্তা সৃষ্টি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং সামাজিক নিরাপত্তা—এই বিষয়গুলো তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যতের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ফলে একটি যুব সংগঠনের কার্যক্রম কেবল রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; তরুণদের বাস্তব সমস্যার সমাধানেও ভূমিকা রাখতে হবে।

যুবদলের সামনে এখন বড় প্রশ্ন—কীভাবে দলীয় রাজনীতির পাশাপাশি যুবসমাজের আশা-আকাঙ্ক্ষার কার্যকর প্রতিনিধিত্ব করা যায়?

দেশে শিক্ষিত বেকারত্ব, কর্মসংস্থানের সীমিত সুযোগ, দক্ষতার সঙ্গে শ্রমবাজারের চাহিদার অসামঞ্জস্য এবং তরুণদের মধ্যে হতাশার মতো সমস্যাগুলো মোকাবিলায় যুবদল কার্যকর উদ্যোগ নিতে পারে। কারিগরি প্রশিক্ষণ, ফ্রিল্যান্সিং ও ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়ন, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়তা এবং কর্মমুখী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সংগঠনটির সামাজিক ভূমিকা বাড়াতে পারে।

একই সঙ্গে মাদকবিরোধী সচেতনতা, সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ, পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বেচ্ছায় রক্তদান, দুর্যোগে ত্রাণ সহায়তা এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মতো উদ্যোগ তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে পারে।

রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে গিয়ে মানুষের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়াতে পারলে যুবদল সমাজে আরও ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা অর্জনের সুযোগ পাবে।

নেতৃত্বের বিকাশ ও সাংগঠনিক সংস্কারের প্রয়োজন
যেকোনো যুব সংগঠনের প্রধান সম্পদ তার কর্মী এবং নেতৃত্ব। কিন্তু নেতৃত্বের বিকাশ কেবল রাজনৈতিক আনুগত্যের ভিত্তিতে হলে দীর্ঘমেয়াদে সাংগঠনিক দক্ষতা ও জনআস্থার ঘাটতি তৈরি হতে পারে। তাই মেধা, সততা, যোগ্যতা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং জনসেবার মানসিকতাকে নেতৃত্ব নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করা প্রয়োজন।

যুবদলের সামনে কয়েকটি বিষয় বিশেষ গুরুত্বের দাবি রাখে—যোগ্য ও ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়ন, নেতৃত্বে নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণ, সাংগঠনিক স্বচ্ছতা, অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র এবং শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা।

রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদাবাজি, দখলদারত্ব, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা সহিংসতার সঙ্গে কেউ জড়িয়ে পড়লে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সক্ষমতাও একটি সংগঠনের গ্রহণযোগ্যতার গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। এসব বিষয়ে অভিযোগ থাকলে তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা এবং প্রমাণিত অপরাধের ক্ষেত্রে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

একটি দায়িত্বশীল যুব সংগঠন হিসেবে যুবদলের জন্যও এসব মানদণ্ড প্রযোজ্য। সংগঠনের ভাবমূর্তি রক্ষা এবং জনআস্থা অর্জনের জন্য আত্মসমালোচনা ও প্রয়োজনীয় সংস্কারের বিকল্প নেই।

৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি: রাজনীতির পাশাপাশি জনসেবা
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে যুবদল ২৭ ও ২৮ অক্টোবর দুই দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও দোয়া, স্বেচ্ছায় রক্তদান, বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা, আলোচনা সভা, র‍্যালি, সমাবেশ, বৃক্ষরোপণ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, মাছের পোনা অবমুক্তকরণ এবং দুস্থ মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ।

এসব কর্মসূচির মধ্যে জনসেবামূলক কার্যক্রম বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। রাজনৈতিক সংগঠনের সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা শুধু তার কর্মীসংখ্যা কিংবা রাজপথের উপস্থিতির ওপর নির্ভর করে না; মানুষের সংকটের সময়ে কতটা কার্যকরভাবে পাশে দাঁড়াতে পারে, তার ওপরও নির্ভর করে।

রক্তদান, চিকিৎসাসেবা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং অসহায় মানুষের সহায়তায় ঘোষিত কর্মসূচিগুলো নিয়মিত ও পরিকল্পিতভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে তা সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পরও এসব উদ্যোগ অব্যাহত রাখাই হবে জনকল্যাণমূলক রাজনীতির প্রকৃত পরীক্ষা।

আগামীর বাংলাদেশ ও যুবদলের দায়িত্ব
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে তরুণদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার, উদ্ভাবনী চিন্তা, উদ্যোক্তা সৃষ্টি, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম মানবসম্পদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তরুণ প্রজন্মকে সামনে এগিয়ে আসতে হবে।

এক্ষেত্রে যুবদলসহ দেশের সব যুব সংগঠনের জন্য দায়িত্বের ক্ষেত্র বিস্তৃত। রাজনৈতিক মতাদর্শের পার্থক্য থাকলেও কর্মসংস্থান, শিক্ষা, পরিবেশ, মাদক প্রতিরোধ, মানবিক মূল্যবোধ এবং সামাজিক নিরাপত্তার মতো প্রশ্নে তরুণদের সম্মিলিত উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে তরুণদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি, নারী ও পুরুষের সমান সুযোগ নিশ্চিত করা এবং সহিংসতা ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, অপতথ্য ও বিদ্বেষমূলক প্রচারণা প্রতিরোধেও রাজনৈতিক যুব সংগঠনগুলো দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে পারে।

যুবদল যদি তার সাংগঠনিক শক্তিকে জনকল্যাণ, কর্মসংস্থানমুখী উদ্যোগ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় কাজে লাগাতে পারে, তবে তা শুধু দলটির জন্য নয়, দেশের বৃহত্তর যুবসমাজের জন্যও ইতিবাচক হতে পারে।

প্রত্যাশা: ঐতিহ্যের মূল্যায়ন হোক কর্মের মাধ্যমে
৪৮ বছরের পথচলা একটি রাজনৈতিক যুব সংগঠনের জন্য দীর্ঘ অভিজ্ঞতার ভান্ডার। এই সময়ে অর্জন যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে আত্মসমালোচনা ও পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তাও। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সেই অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করে ভবিষ্যতের কর্মপন্থা নির্ধারণের সুযোগ এনে দেয়।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো—রাজনৈতিক পরিচয়কে জনসেবার শক্তিতে রূপান্তর করা, তরুণদের বাস্তব সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া এবং গণতান্ত্রিক আচরণ ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার দৃষ্টান্ত স্থাপন করা।

রাজনীতি যদি মানুষের কল্যাণের মাধ্যম হয়, তবে যুব সংগঠনের সাফল্যও পরিমাপ করা উচিত মানুষের জীবনে তার ইতিবাচক অবদান দিয়ে। সেই বিবেচনায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অতীতের গৌরব স্মরণ করার পাশাপাশি ভবিষ্যতের দায়িত্ব গ্রহণেরও আহ্বান।

তারুণ্যের শক্তি যেন কেবল রাজনৈতিক মিছিলের অংশ না হয়ে কর্মসংস্থান, মানবিকতা, গণতন্ত্র ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার কার্যকর শক্তিতে পরিণত হয়—৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এটাই হতে পারে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতি দেশবাসীর প্রত্যাশা।

সম্পর্কিত খবর

ফরিদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩

ফরিদপুর : ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত ও কয়েকজন আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।...

প্যারিসে বিক্ষোভের উপর নিষেধাজ্ঞা

নতুন করে বিক্ষোভের আশঙ্কায় ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর বিক্ষোভের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করল পুলিশ। সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা...

মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী ছিলেন ন্যায়বিচারের প্রতীক : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী ছিলেন শিক্ষা, মানবতা ও ন্যায়বিচারের প্রতীক। তিনি নারী শিক্ষা, ধর্মীয় সম্প্রীতি এবং শ্রমজীবী...

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল ২৯ অক্টোবর

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আগামী ২৯ অক্টোবর প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয়...

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরকে পূর্ণ মন্ত্রীর মর্যাদা

বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরকে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে কমনওয়েলথ সরকার-প্রধানদের বৈঠক (সিএইচওজিএম-২০২৬)-এ বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য পূর্ণ মন্ত্রীর ক্ষমতা প্রদান করা...

একটি সুস্থ, সচেতন, কর্মক্ষম ও আত্মপ্রত্যয়ী জাতি গঠনে খেলাধুলার ভূমিকা অপরিসীম : প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান

ফাইল ফটো : প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান   প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ক্রীড়া শুধু প্রতিযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং...
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত