আবু সুফিয়ান বলেছেন, একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় আগামী নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে আগামী দিনে গণতন্ত্র থাকবে কিনা? মানুষের অধিকার থাকবে কিনা? ভোটের অধিকার থাকবে কিনা? তা এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত হবে। গণতন্ত্রের জন্য সবচেয়ে বেশী ত্যাগ স্বীকার করেছে বিএনপি। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, জনগণের জীবন ও জীবিকা নিশ্চিত করা, কর্মক্ষম বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিশুদের জন্য নিরাপদ ও সুন্দর পরিবেশ গড়ে তোলা, নারী সমাজের সমস্যা সমাধান এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহকে কার্যকরভাবে পুনর্গঠনে বিএনপি অঙ্গীকারবদ্ধ। দেশকে সঠিক ধারায় পরিচালিত করতে হলে বিএনপির কোন বিকল্প নেই। তাই গণতন্ত্র-স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে সুরক্ষিত রাখেতে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়াউর রহমান ও অবিসাংবাদিত নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার যোগ্য উত্তরসুরী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দুর্নীতি-অপশাসন ও বৈষম্যবিহীন সমাজ গঠনে এবং ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত নিরাপদ বাংলাদেশ বিনির্মাণে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিন।

২৮ জানুয়ারি (বুধবার) বিকেলে ৩১নং আলকরণ ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগকালে এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনাদের সমস্যা মানেই আমার সমস্যা। আপনারা যে আস্থা ও বিশ্বাস নিয়ে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে ভোট দিবেন, নির্বাচিত হলে আপনাদেরকে সঙ্গে নিয়ে সেই সমস্যার সমাধান করব, ইনশাআল্লাহ।

পথসভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের চিফ কোঅর্ডিনেটর ও মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জনগণ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। এবারের নির্বাচন সেই অধিকার পুনরুদ্ধারের একটি ঐতিহাসিক সুযোগ। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।
৩১নং আলকরণ ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক আব্দুল মান্নান এর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব ইকবাল হোসেন সংগ্রামের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এম এ সবুর, য্গ্মু আহবায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সিহাব উদ্দিন মোবিন, সদস্য আনোয়ার হোসেন লিপু, আব্দুল মান্নান, জাকির হোসেন। বক্তব্য দেন আব্দুল নবী প্রিন্স, খোরশেদুল আনোয়ার, দিদারুর রহমান লাভু, আব্দুল শুক্কুর, মো. সেলিম, মো. ফিরোজ, মিন্টু, আব্দুল বাতেন, জসিম উদ্দিন প্রমুখ।
