দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, দুই দেশের মাইন্ড সেট যদি ঠিক থাকে তাহলে আমরা ইতিবাচকভাবে অগ্রসর হতে পারব। কিছু চ্যানেল তো থাকবে। পালিয়ে যাওয়া সন্ত্রাসী যখন ওখানে আছে শেখ হাসিনা। চ্যালেঞ্জ তো থাকবেই। এই চ্যালেঞ্জের ভিত্তিতে কিভাবে আমরা অন্য কাজগুলা দুই দেশের স্বার্থের মধ্যে পড়ে সেগুলো আমরা এগিয়ে নেবে। আর হাসিনার ব্যাপারে তো সবসময় আমাদের দাবি থাকবে ফিরিয়ে দিতে। ওইখান থেকে যাতে কোন সন্ত্রাসী কার্যক্রম না করে সেটা আমরা জোরালো আলোচনায় রাখবো । আমার মনে হচ্ছে এই সফরটা মোটামুটি ভালো ফলপ্রসূ হয়েছে।
অপর প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, যেখানেই আমরা সম্পর্ক করব, বিএনপি সরকার, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের সরকার দেশের মানুষের দুই তৃতীয় অংশে ভোটে নির্বাচিত। আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে যদি আপনার দেশের মানুষের ম্যান্ডেট না থাকে, আমাদের এটা আছে, তাই আমরা বড় গলায় কথা বলতে পারি। কনফিডেন্স নিয়ে কথা বলতে পারি কারণ দেশের মানুষ আমাদের পক্ষে আছে। যেটা বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের ছিল না আর হাসিনার তো গত ১৫ বছর ছিলই না। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার খুবই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতার জন্য। আমাদের এই সরকারের যেটা আছে। বাংলাদেশকে বিক্রি করে বিএনপি সরকার কিছুই করবে না, বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ নিয়েই কাজ করবে। দ্বিপাক্ষিক হোক, বহুপাক্ষিক হোক বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে সবসময় প্রাধান্য দেব।
