চট্টগ্রামে শত বছরের ঐতিহ্যবাহী বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারীগণের সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠিত সংস্কৃতি, বিনোদন ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান কে.সি.দে ইনস্টিটিউট (অফিসার্স ক্লাব) তিন বছর মেয়াদী নির্বাহী পরিষদের নির্বাচন সম্প্রতি ক্লাবের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাচনে ১৪ জন কর্মকর্তা ও সদস্য নির্বাচিত হন। এতে প্রত্যক্ষ ভোটাভোটির মাধ্যমে আলহাজ্ব মোঃ নাসির উদ্দিন চৌধুরী সভাপতি ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সাবেক জেলা নাজির মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। এতে সংগঠনের নির্বাচিত অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা হলেন, সহসভাপতি স্বদেশ শর্মা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক উদয় শংকর সেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মোঃ এরশাদ আলম, সংস্কৃতি ও বিনোদন সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, অর্থ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন আহাম্মদ, ক্রীড়া সম্পাদক নিউটন বড়ুয়া, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, সাহিত্য ও পাঠাগার সম্পাদক মোঃ আমির হোসেন, নির্বাহী সদস্য যথাক্রমে, মোঃ আবুল হাশেম, মোঃ কামাল হোসেন, মোঃ খোরশেদ আলম ও মোঃ আক্তার হোসেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের সদস্য ও বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ গিয়াস উদ্দিন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মরত ক্লাবের উপদেষ্টা, সিনিয়র-জুনিয়র সদস্যবৃন্দ, নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্যগণ ও নির্বাচন কমিশনের সদস্যগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন। ক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী উক্ত নির্বাচনে দুই অফিস থেকে ১৫ জন সদস্যের মধ্যে সভাপতি, সহ-সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১০টি সম্পাদকীয় পদ এবং ৫ জন নির্বাহী সদস্যের মধ্যে ১ জন সদস্য অনুপস্থিত ছিলেন। ফলে ভোটাভোটির মাধ্যমে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট কে.সি.দে ইনস্টিটিউটের (অফিসার্স ক্লাব) নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়।
এ উপলক্ষে গত বুধবার ক্লাবের সম্মেলন কক্ষে নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের সদস্য ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, চট্টগ্রামের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. গিয়াস উদ্দিন।অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ক্লাবের সদস্যদের শুভেচ্ছা জানিয়ে ক্লাবের সার্বিক উন্নয়ন ও কার্যক্রম পরিচালনায় সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। উল্লেখ্য, ১৯১৩ সালে তৎকালীন বিভাগীয় কমিশনার প্রয়াত কে.সি. দে এই ইনস্টিটিউট (অফিসার্স ক্লাব) প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর থেকে প্রতিষ্ঠানটি বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বয়ে পরিচালিত হয়ে আসছে।
