চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম বাকলিয়ায় শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় দ্বিতীয় দিনের মতো সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল। জবানবন্দি রেকর্ডকারী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ ৬ জন সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়েছেন। বৃহস্পতিবার ( ১১ জুন) সকালে চট্টগ্রাম মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফসা ঝুমা এ সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। এর আগে গত বুধবার একদিনেই বাদী, ভুক্তভোগীসহ ৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছিলেন ট্রাইব্যুনাল। গত ৯ জুন মামলার একমাত্র আসামি মনির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়, এবং মামলায় দ্বিতীয় দিনের মতো সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় বলে জানান, ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ। গতকাল জবানবন্দি রেকর্ডকারী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ ৬ জন সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়েছেন। মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে সাক্ষ্যগ্রহণ চলমান রয়েছে।
এর আগে গত ৪ জুন আদালতের প্রসিকিউশন শাখায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পুলিশ বলছে, ভুক্তভোগী শিশুর চিকিৎসা প্রতিবেদন, ডিএনএ রিপোর্ট, সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। মামলার একমাত্র আসামি মনির হোসেন (৩০), কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ঘারঘাটা এলাকার বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া এলাকার মিয়াখান নগরে বসবাস করছিলেন। গত ২১ মে বিকেলে বাকলিয়া থানার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের নুর হোসেন চেয়ারম্যানঘাটা এলাকার বালুরমাঠ সংলগ্ন একটি গুদামকক্ষে চার বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মেহেদী হাসান বাদী হয়ে বাকলিয়া থানায় মামলা করেন। পুলিশ জানায়, তদন্তে প্রাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ, চিকিৎসা প্রতিবেদন, ডিএনএ রিপোর্ট, ভুক্তভোগী ও আসামির জবানবন্দি পর্যালোচনা করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মনির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। মামলায় ১৩ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।
