ম্যাচের শুরুতে দুই দলই সতর্ক ফুটবল খেলতে থাকে। তবে ২৭তম মিনিটে খেলার ধারার বিরুদ্ধে প্রথম সাফল্য পায় অস্ট্রেলিয়া। দ্রুতগতির এক পাল্টা আক্রমণ থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ২০ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড নেস্তরি ইরানকুন্ডা।বিশ্বকাপে নিজের অভিষেক ম্যাচেই গোল করে আলোচনায় উঠে আসেন এই তরুণ ফুটবলার। এরপর তুরস্ক সমতায় ফেরার আপ্রাণ চেষ্টা চালালেও প্রথমার্ধ শেষ হয় অস্ট্রেলিয়ার ১-০ ব্যবধানের লিড নিয়ে।দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল মূলত তুরস্কের খেলোয়াড়দের পায়ে। তারা একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রাখে। পুরো ম্যাচে ৬২ শতাংশ বলের দখল ধরে রাখার পাশাপাশি ২৬টি শট নেয় তুর্কিরা। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া মাত্র ৮টি শট নেয় এবং তার মধ্যে ৪টি অন-টার্গেট রাখতে সক্ষম হয়। কিন্তু ফুটবলে ফলাফল যেহেতু নির্ধারণ হয় গোল দিয়েই তাই অস্ট্রেলিয়া নিজেদের রক্ষণ শক্ত রেখে সুযোগের অপেক্ষায় থাকে এবং ৭৫ মিনিটে পাওয়া সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তারা ব্যবধান দ্বিগুণ করে।
তুরস্ক আক্রমণে বেশি খেলোয়াড় তুলে আনায় ফাঁকা জায়গা কাজে লাগিয়ে দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকে গোল করেন কনর মেটকালফে। তার নিখুঁত ফিনিশিং অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেয়। গোল হজমের পরও হাল ছাড়েনি তুরস্ক। শেষ দিকে আরদা গুলেরের নেওয়া দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিক গোল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করেছিল। কিন্তু অসাধারণ ক্ষিপ্রতায় ঝাঁপিয়ে পড়ে অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক বলটি ঠেকিয়ে দেন। পরে ডিফেন্ডাররা দ্রুত বিপদমুক্ত করলে আর গোল পাওয়া হয়নি তুরস্কের। শেষ পর্যন্ত রক্ষণে দৃঢ়তা ও পাল্টা আক্রমণে ভর করেই ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে অস্ট্রেলিয়া।