বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

৪৩ মাসে ৭২ হাজারের বেশি শিশু নিখোঁজ: কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের শিশুরা?

নিখোঁজের পর কারও মিলছে মরদেহ, কেউ ফিরছে পরিবারের কাছে; তবু হাজারো শিশুর সন্ধান নেই—তদন্ত, তথ্যব্যবস্থাপনা ও দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

সম্পাদকের ডেস্ক

একটি শিশু হারিয়ে যাওয়ার অর্থ শুধু একটি পরিবারের একজন সদস্য নিখোঁজ হওয়া নয়—এর সঙ্গে হারিয়ে যায় একটি পরিবারের স্বস্তি, নিরাপত্তাবোধ ও ভবিষ্যতের অসংখ্য স্বপ্ন। বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে শিশু নিখোঁজের যে পরিসংখ্যান সামনে এসেছে, তা সেই উদ্বেগকে আরও গভীর করেছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের শুরু থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত ৪৩ মাসে দেশে ৭২ হাজার ৪৮৯ শিশুর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে। ২০২৩ সালে ১৭ হাজার ৮০৮টি, ২০২৪ সালে ১৬ হাজার ৪১৪টি এবং ২০২৫ সালে ২২ হাজার ৫৫০টি জিডি হয়েছে। চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে হয়েছে আরও ১৫ হাজার ৭১৭টি।

তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্পষ্ট করা প্রয়োজন। ৭২ হাজার ৪৮৯ সংখ্যাটি দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ থাকা শিশুর সংখ্যা নয়; এটি থানায় করা নিখোঁজ-সংক্রান্ত জিডির সংখ্যা। একইভাবে এই সংখ্যা থেকে বলা যায় না যে ৭২ হাজার শিশুই এখনো নিখোঁজ। পুলিশের হিসাবে, নিখোঁজের বড় একটি অংশ পরবর্তী সময়ে উদ্ধার হয়েছে বা পরিবারের কাছে ফিরে এসেছে। কিন্তু কতজন জীবিত উদ্ধার হয়েছে, কতজনের মরদেহ পাওয়া গেছে এবং কতজন এখনো নিখোঁজ—৪৩ মাসের পূর্ণ সময়ের জন্য এমন সমন্বিত শ্রেণিবিন্যাস পুলিশ সদর দপ্তরের কাছে নেই।

সাত মাসেই নিখোঁজ ১৫ হাজার ৭১৭
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত হিসাবটি বিশেষভাবে উদ্বেগজনক। এ সময়ে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশুর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় জিডি হয়েছে। পুলিশ যাচাই করে জানিয়েছে, তাদের মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ জন উদ্ধার হয়েছে অথবা পরিবারের কাছে ফিরে এসেছে। এখনো সন্ধান মেলেনি ২ হাজার ৩৮ শিশুর। অর্থাৎ এই সময়ের জিডিভুক্ত নিখোঁজ শিশুদের প্রায় ৮৭ শতাংশ উদ্ধার হলেও প্রায় ১৩ শতাংশের সন্ধান তখনও পাওয়া যায়নি।

বয়সভিত্তিক হিসাবেও রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। শূন্য থেকে ৯ বছর বয়সী শিশু নিখোঁজের ঘটনায় জিডি হয়েছে ৪৭৪টি; এর মধ্যে ৪০৬ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং ৬৮ জন তখনো উদ্ধার হয়নি। অন্যদিকে ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশু-কিশোর নিখোঁজের ঘটনায় জিডি হয়েছে ১৫ হাজার ২৪৩টি; উদ্ধার হয়েছে ১৩ হাজার ২৭৩ জন এবং নিখোঁজ রয়েছে ১ হাজার ৯৭০ জন।

অর্থাৎ নিখোঁজের বড় অংশই ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশু-কিশোর। এই বয়সে পারিবারিক সম্পর্ক, মানসিক চাপ, বন্ধুদের প্রভাব, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার মতো বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

কেন নিখোঁজ হচ্ছে শিশুরা?
পুলিশের ব্যাখ্যায় বয়সভেদে নিখোঁজ হওয়ার কারণ ভিন্ন। ছোট শিশুরা অপরিচিত জায়গায় গিয়ে পথ হারানো, পরিবারের সদস্যদের নাম-ঠিকানা বলতে না পারা কিংবা একা বাড়ি ফেরার সময় অন্যত্র চলে যাওয়ার কারণে নিখোঁজ হতে পারে।

অন্যদিকে ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে পারিবারিক কলহ, অভিমান, পড়াশোনার চাপ, বন্ধু বা সহপাঠীদের প্রভাব, স্বাধীনভাবে জীবনযাপনের আকাঙ্ক্ষা এবং কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার পর আত্মগোপন—এসব কারণের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

তবে প্রতিটি নিখোঁজ ঘটনাকে একই কারণ দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না। কোনো ঘটনা হতে পারে পারিবারিক বিরোধের ফল, কোনোটি পথ হারানোর ঘটনা, আবার কোনো ক্ষেত্রে অপরাধের আশঙ্কাও থাকতে পারে। তাই নিখোঁজের প্রতিটি ঘটনাকে দ্রুত যাচাই করা জরুরি।

নিখোঁজের পর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা নতুন উদ্বেগ
শিশু নিখোঁজের পর তাদের মরদেহ উদ্ধারের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। ২১ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে আজকের পত্রিকা জানিয়েছে, চলতি বছরের প্রথম আট মাসে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) হিসাবে ২৫৪ শিশু হত্যার শিকার হয়েছে; এর মধ্যে নিখোঁজের পর ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই প্রতিবেদনে ধর্ষণের পর হত্যা, শারীরিক নির্যাতন এবং গৃহে নির্যাতনের পর হত্যার মতো ঘটনাও উল্লেখ করা হয়েছে।

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে—নিখোঁজ শিশুদের সবাই অপরাধের শিকার হয়েছে, এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই। কিন্তু নিখোঁজ হওয়ার পর কিছু শিশুর মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনা নিখোঁজ সংক্রান্ত তদন্ত ও দ্রুত প্রতিক্রিয়ার প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট করে।

প্রথম কয়েক ঘণ্টাই গুরুত্বপূর্ণ
শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের জন্য প্রতিটি মিনিট অত্যন্ত মূল্যবান। বিভিন্ন শিশুসুরক্ষা উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা দ্রুত জিডি গ্রহণ, সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা, মোবাইল ও ডিজিটাল তথ্য বিশ্লেষণ এবং সম্ভাব্য যাতায়াতের পথ অনুসন্ধানের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

আজকের পত্রিকাকে দেওয়া বক্তব্যে ‘জিরো মিসিং চিলড্রেন ফাউন্ডেশন’-এর সভাপতি মো. সাদাত রহমান বলেন, নিখোঁজের পর দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া গেলে শিশুকে খুঁজে পাওয়া সহজ হয় এবং এজন্য পুলিশের আলাদা সেল ও প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে। একই প্রতিবেদনে নিখোঁজ শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশের তৎপরতায় বিলম্বের অভিযোগও এসেছে।

তবে পুলিশের বক্তব্যও বিবেচনায় নেওয়া জরুরি। পুলিশ সদর দপ্তর বলছে, নিখোঁজের অধিকাংশ জিডির ক্ষেত্রে শিশুকে উদ্ধার করা হয় বা সে পরিবারের কাছে ফিরে আসে। পাশাপাশি সাম্প্রতিক উদ্বেগের পর যেসব নিখোঁজ জিডি এখনো নিষ্পত্তি হয়নি, সেগুলো নতুন করে যাচাই করার নির্দেশ দেওয়ার কথাও জানিয়েছে পুলিশ।

পরিবার ও সমাজের দায়ও কম নয়
শিশু নিখোঁজের ঘটনা প্রতিরোধে শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর নির্ভর করলে চলবে না। পরিবারকেও শিশুর সঙ্গে সম্পর্কের জায়গাটি শক্তিশালী করতে হবে।

বিশেষ করে কৈশোরে শিশুর সঙ্গে নিয়মিত কথা বলা, তার বন্ধুদের সম্পর্কে ধারণা রাখা, অনলাইন যোগাযোগ সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং পারিবারিক সমস্যা হলে তাকে একা না ফেলা জরুরি। শিশুর কোনো আচরণ পরিবর্তন, হঠাৎ অতিরিক্ত বিষণ্নতা, পরিবার থেকে দূরে থাকার প্রবণতা কিংবা অস্বাভাবিক অনলাইন যোগাযোগ দেখা দিলে অভিভাবকদের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

একই সঙ্গে স্কুল, মাদ্রাসা, কোচিং সেন্টার, পরিবহনব্যবস্থা ও স্থানীয় সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোতেও শিশু নিরাপত্তার বিষয়ে আরও কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন।

দরকার জাতীয় পর্যায়ে সমন্বিত ‘মিসিং চাইল্ড’ ডাটাবেস
বাংলাদেশে শিশু নিখোঁজের সমস্যার অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো তথ্যের সমন্বয়। পুলিশের কাছে জিডি হয়েছে—এরপর শিশুটি উদ্ধার হয়েছে কি না, কোথায় পাওয়া গেছে, জীবিত নাকি মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে, কতদিন পর উদ্ধার হয়েছে—এসব তথ্য এক জায়গায় নিয়মিতভাবে সংরক্ষিত ও বিশ্লেষিত হওয়া প্রয়োজন।

একটি জাতীয় Missing Child Database চালু করা যেতে পারে, যেখানে প্রতিটি নিখোঁজ শিশুর ছবি, নাম, বয়স, শারীরিক বৈশিষ্ট্য, শেষ অবস্থান, জিডি নম্বর, সংশ্লিষ্ট থানা এবং উদ্ধার-পরবর্তী তথ্য থাকবে। সীমিত ও আইনসম্মত প্রবেশাধিকার রেখে এই তথ্য শিশু উদ্ধারকারী সংস্থা, রেলওয়ে পুলিশ, সীমান্তরক্ষী বাহিনী, হাসপাতাল ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করা যেতে পারে।

একই সঙ্গে নিখোঁজ শিশুর ক্ষেত্রে থানায় জিডি গ্রহণে কোনো ধরনের বিলম্ব না করা, দ্রুত সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ, প্রয়োজন হলে মোবাইল/ডিজিটাল সূত্র যাচাই এবং আন্তঃজেলা সমন্বিত অনুসন্ধান নিশ্চিত করা দরকার।

১০৯৮ ও জনসচেতনতার ভূমিকা
শিশু সহায়তা হেল্পলাইন ১০৯৮-এর মতো ব্যবস্থাগুলো সম্পর্কে পরিবার ও শিশুদের আরও বেশি সচেতন করা প্রয়োজন। সাম্প্রতিক একটি ঘটনায় ঢাকার কমলাপুর থেকে এক শিশু ট্রেনে উঠে ময়মনসিংহে চলে গেলে স্থানীয় লোকজন ১০৯৮-এ যোগাযোগ করে এবং পরবর্তী সমন্বয়ের মাধ্যমে শিশুটিকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

এ ধরনের সেবা সম্পর্কে স্কুল, গণপরিবহন, রেলস্টেশন, বাজার ও জনসমাগমস্থলে নিয়মিত প্রচার চালানো যেতে পারে।

একটি শিশুও যেন ‘পরিসংখ্যান’ হয়ে না যায়
৭২ হাজার ৪৮৯টি নিখোঁজ-সংক্রান্ত জিডি নিঃসন্দেহে বড় একটি সংখ্যা। কিন্তু এর অর্থ বোঝার ক্ষেত্রে তথ্যের প্রকৃতি মনে রাখা জরুরি—এটি ৪৩ মাসে থানায় করা জিডির সংখ্যা, বর্তমানে নিখোঁজ শিশুর সংখ্যা নয়। পুলিশের হিসাবে বিপুলসংখ্যক শিশু পরবর্তীতে উদ্ধার হয়েছে বা পরিবারের কাছে ফিরেছে। আবার একই সঙ্গে হাজারো শিশুর সন্ধান না পাওয়ার বিষয়টিও বাস্তব এবং গুরুতর।

প্রতিটি নিখোঁজ শিশুর পেছনে রয়েছে একটি পরিবার। কোনো মা-বাবার কাছে সন্তানের নিখোঁজ হওয়া একটি সংখ্যামাত্র নয়; সেটি প্রতিদিনের উৎকণ্ঠা, অপেক্ষা এবং অনিশ্চয়তার জীবন।

তাই প্রয়োজন আতঙ্ক নয়—নির্ভুল তথ্য, দ্রুত তদন্ত, সমন্বিত উদ্ধারব্যবস্থা এবং শিশুদের জন্য নিরাপদ সামাজিক পরিবেশ। নিখোঁজের প্রতিটি ঘটনা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা এবং উদ্ধার না হওয়া প্রতিটি শিশুর সন্ধান অব্যাহত রাখা রাষ্ট্র ও সমাজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

সম্পর্কিত খবর

নবম জাতীয় পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ সরকার। শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ,...

চট্টগ্রাম ডেঙ্গু আক্রান্ত যুবকের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় বিল ২ লাখ ৭৬ হাজার

চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এক যুবকের মৃত্যুর দুইদিন পর এবার সিরাজুল মনিরা (৫) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর)...

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর রাতে ‘পিএমও বাংলাদেশ’ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অফিশিয়াল ফেসবুক...

জরুরি মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত একটি জীবন বাঁচাতে পারে : আবু সুফিয়ান এমপি

জরুরি মুহূর্তে একজন দক্ষ চিকিৎসকের সঠিক সিদ্ধান্ত ও কার্যকর পদক্ষেপ একজন মানুষের জীবন বাঁচাতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান। তিনি...

বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র’র কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবাদে সয়লাব, তীরের মুখে ঈমাম হোসেন

চট্টগ্রামে অনিয়ম-দুর্নীতি এবং জালিয়াতির মাধ্যমে শিল্পীদের টাকা আত্মসাতসহ কয়েকটি গুরুতর অভিযোগ উঠেছে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক গবেষণা সম্পাদক, আওয়ামী লীগ সরকার আমলের বিশেষ সুবিধাভোগী...

বহিষ্কৃত জামায়াত নেতা ও সংসদ সদস্য গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ছবি : সংগৃহীত   রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের আলোচিত সংসদ সদস্য জিএম নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম...
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত