২য় বিশ্বযুদ্ধের সময়ের একটি শক্তিশালী অবিস্ফোরিত বোমা রামুর উখিয়ারঘোনা তচ্ছাখালী এলাকায় উদ্ধার করা হয়েছে। দেড় দশক ধরে স্থানীয়রা বোমার ওপর দাঁড়িয়ে কাপড় ধুয়ে আসছিলেন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় চরম চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে! স্থানীয় বাসিন্দারা এটা কি না বুঝে ভেঙে বিভিন্ন অংশ ভাঙ্গারির কাছে বিক্রি করেছেন! এত বছর ধরে পড়ে থাকা বোমাটির কারনে যে এতদিন কোন দূর্ঘটনা ঘটেনি এতে তারা সৃষ্টিকর্তার কাছে শুকরিয়া আদায় করেন।
রামু উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পুকুরপাড়ে প্রায় ১০ থেকে ১৫ বছর আগে স্থানীয়রা একটি ভারী ধাতব বস্তু পানি থেকে তুলে পাড়ে রাখেন। দীর্ঘদিন ধরে কেউ এটিকে গুরুত্ব দেননি; ধারণা ছিল এটি কোনো পুরনো লোহার বস্তু। তবে সম্প্রতি রামুর ইতিহাস গবেষক ও আইনজীবী শিরূপন বড়ুয়া ফেসবুকে বোমা সদৃশ বস্তুটির ছবি পোস্ট করেন। তিনি লিখেন, এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জাপানি বোমা হতে পারে এবং এতে বিস্ফোরক আছে কি না পরীক্ষা করা জরুরি। এই পোস্টের পর স্থানীয় এক সচেতন নাগরিক পুলিশকে বিষয়টি জানান।বোমাটিকে বর্তমানে নিরাপদ স্থানে রাখা হয়েছে এবং চারপাশ ঘিরে ফেলা হয়েছে। সেনাবাহিনীকে অবহিত করলে তারা দ্রুত নিষ্ক্রিয়করণ ও নিরাপত্তাজাতীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।
