চট্টগ্রাম-৯ আসনে বিএনপির প্রার্থী আবু সুফিয়ান বলেছেন, বিএনপি জনগণ দ্বারা পরীক্ষিত একটি রাজনৈতিক দল। বাংলাদেশের জন্ম ও বেড়ে উঠার সাথে বিএনপির নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। সুতরাং বিএনপিকে নতুন করে পরীক্ষা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি বিএনপি জনগণ থেকে ফলাফল বুুঝে নিবে। জনগণ রায়ে বিএনপি নির্বাচিত হলে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিবে। অন্যথায়, জনগণের পাশে থেকে তাদের অধিকার আদায়ে কাজ করবে। এটাই গণতান্ত্রিক রাজনীতির সৌন্দর্য্য।
২৯ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকালে ৩৫নং বক্সিরহাট ওয়ার্ডের আনসার ক্লাব, খাতুনগঞ্জ, আছাদগঞ্জ, ওসমানী গলি, চাক্তাই এলাকায় গণসংযোগকালে আয়োজিত এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আবু সুফিয়ান বলেন, শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়া’র জানাজা এবং তারেক রহমান এর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিন লাখো জনতার উপস্থিতি প্রমাণ করেছে এদেশের মানুষ বিএনপিকে তাদের হৃদয়ের মনিকোঠায় স্থান দিয়েছে। শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়াকে কেন্দ্র করে মানুষ অতীতে যেভাবে উন্নয়ন ও জীবনের স্বপ্ন গেঁথেছিল, ঠিক তেমনিভাবে তারেক রহমানকে ঘিরে তারা আবারোও স্বপ্ন বুনছে। ১৮ কোটি মানুষের স্বপ্ন এখন তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন করে জেগে উঠছে। মানুষের বিশ্বাস- তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সঠিক গন্তব্যে এগিয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মহান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে এবং মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ করে “বাংলাদেশ” এর সৃষ্টিতে মূখ্য ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তী সময়ে একটি বিপর্যস্ত রাষ্ট্রের দায়িত্ব গ্রহণ করে দেশকে স্থিতিশীলতার পথে নিয়ে যান। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য মৃত্যুর আগ পর্যন্ত লড়াই করে গেছেন। বাংলাদেশের উন্নয়নে শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার অবদান দেশের অগ্রগতির ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনে- দেশের মানুষ সুংসঠিত করে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র পুনঃরুদ্ধার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিধ্বস্ত রাষ্ট্রকে মেরামতে ও রাষ্ট্রগঠনে জাতির জন্য ৩১দফার রুপরেখা প্রণয়ন করেছেন।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এম এ সবুর, যুগ্ম আহবায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সদস্য আনোয়ার হোসেন লিপু, ইসমাঈল বালি। বক্তব্য রাখেন হাজী বেলাল, হাজী নুরুল আকতার, এস. এম মফিজউল্লাহ, কে এম পিয়ারু, জসিম উদ্দিন মিন্টু, নুর হোসেন নুরু, নকিব উদ্দিন ভুইয়া, আব্দুর রাজ্জাক, এস এম ফরিদ, মো. সেলিম, মো. ইদ্রিস, আমিরুল ইসলাম সাজু, রফিক সও. আব্দুল খালেক, আলহাজ্ব জাকির হোসেন, নুরুল আলম মজনু, রফিকুল আলম, মো. হাসেম, মো. বেলাল, মো. মামুন প্রমুখ।
