লন্ডনে বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় জনাব তারেক রহমান গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশিকা বক্তব্য দিয়েছেন
46
ফাইল ফটো - জনাব তারেক রহমান
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান অনুরোধ জানিয়ে বলেছেন, আগামী ২৫ ডিসেম্বর তারিখে তাঁর দেশে ফেরার সময় কেউ যেনো লন্ডনের এয়ারপোর্টে না আসেন। এয়ারপোর্টে ভিড় বা হট্টগোল হলে দেশের ও দলের সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার আশংকা আছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। গতকাল মঙ্গলবার ১৬ ডিসেম্বর লন্ডনে যুক্তরাজ্য বিএনপি আয়োজিত মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, দীর্ঘ প্রায় ১৮ বছর যুক্তরাজ্যে অবস্থানকালে বিভিন্ন সময়ে বহু মানুষের সঙ্গে তার দেখা হয়েছে এবং অসংখ্য স্মৃতি তৈরি হয়েছে। এই সময়ের দুঃখ-কষ্ট ও অভিজ্ঞতা তিনি প্রবাসীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন।জনাব তারেক রহমান বলেন, যারা তাঁর অনুরোধ রেখে সেদিন এয়ারপোর্টে আসবেন না, তিনি ধরে নেবেন তারা দল ও দেশের স্বার্থ এবং সম্মানের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেছেন। আর অনুরোধ বিবেচনা না করে যারা এয়ারপোর্টে যাবেন, তাদের তিনি ব্যক্তিগত স্বার্থে গিয়েছেন ধরে নিত বাধ্য হবেন।নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, সামনের দিনগুলো সহজ হবে না। তবে ঐক্য বজায় রাখতে পারলে দলীয় পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন সম্ভব হবে এবং প্রত্যাশিত বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে পারবো। তিনি বলেন, আর মাত্র দুমাস পর বহুল প্রত্যাশিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে জনগণকে সচেতন করা এবং তাদের সামনে সুস্পষ্ট পরিকল্পনা তুলে ধরা বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।জনাব তারেক রহমান বলেন, তিনি কোনো স্বপ্নে বিভোর নন, বরং পরিকল্পনার মধ্যেই রয়েছেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া সংকটময় সময়ে দেশকে খাদ্যসংকট থেকে রক্ষা করেছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে জনগণের সমর্থনে আগামী নির্বাচনে সরকার গঠন করা সম্ভব হবে, যদিও সামনে পথ অত্যন্ত কঠিন। বক্তব্যে তিনি দলের ৩১ দফা সংস্কার ও উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে অসচ্ছল পরিবারের জন্য মাইক্রোচিপ সংযুক্ত ‘ফ্যামিলি কার্ড’, কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’, শিক্ষা খাতে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষক হিসেবে গড়ে তোলা, সহশিক্ষা কার্যক্রম ও খেলাধুলা জোরদার করা। এছাড়া সরকার গঠন করলে ‘নতুন কুঁড়ি’ টেলিভিশন অনুষ্ঠান নতুনভাবে সাজানো, প্রবাসীদের জন্য ভাষা শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি, রোগ প্রতিরোধে গুরুত্ব দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ চালু, কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয় বাড়াতে সহায়তা, ছোট ওয়ার্কস্পেস, ফ্রি ওয়াই-ফাই ও ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে এসব উদ্যোগের সুফল জনগণ পাবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন জনাব তারেক রহমান। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে প্রবাসীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ঐক্য বজায় রাখতে পারলেই কেবল একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।নিজস্ব প্রতিবেদক ও অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তী ইতিহাসে যেসব রাষ্ট্রনায়ক দেশের পুনর্গঠন, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। একজন...
কক্সবাজার : কক্সবাজারের চকরিয়ায় অপহরণের শিকার এক কিশোরীকে উদ্ধার করতে গিয়ে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ ও মারধরের অভিযোগ ওঠায় মো. আরকানুল ইসলাম নামের পুলিশের এক...
চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম নগরীর ফয়’স লেক চিড়িয়াখানার প্রবেশমুখে অবস্থিত একটি আবাসিক হোটেল থেকে মো. রিপন (৪৭) ও সোনিয়া (৩০) নামে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে...
সামনে অত্যন্ত কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ একটি সময় অপেক্ষা করছে বলে মন্তব্য করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান। এই...
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের জীবন-জীবিকা, কৃষি, পরিবেশ ও অর্থনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে তিস্তা নদী। একসময় প্রমত্তা এই নদী আজ শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট এবং বর্ষায়...