
আর কিছু বলতে পারলেন না তিনি। সন্তানদের জড়িয়ে ধরে কেবল নিজের পড়ে যাওয়া ঠেকিয়ে রাখছিলেন কেবল।
বাবা হত্যার বিচার চায় মোতালেবের বড় মেয়ে দশম শ্রেণির ছাত্রী শামিমা জান্নাত। ‘এভাবে আমার বাবাকে কেউ মেরে ফেলবে কেন। বাবা তো, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে গিয়েছিল। কেন তাকে মরতে হলো।’ তার কণ্ঠে শোকাশ্রু।
মোতালেবের বড় ছেলে তেজগাঁও সরকারি কলেজের স্নাতকের ছাত্র মেহেদী হাসান বলেন, বাবার সঙ্গে আমার খুব মধুর সম্পর্ক ছিল। সবসময় মা ও বোনদের দেখে রাখার জন্য বলতেন। ভালোভাবে যাতে পড়াশোনা করি পরামর্শ দিতেন। বাবাকে হারিয়ে এখন আমরা দিশেহারা। আমাদের কী হবে, জানি না। আমার বাবা হত্যায় জড়িতদের শাস্তি চাই। আমার বাবাকে আল্লাহর ওয়াস্তে আপনারা মাফ করে দেবেন।’
প্রসঙ্গত, নায়েব সুবেদার (জিডি) মো. মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া কুমিল্লা জেলার সদর অলিপুর গ্রামে ১৯৭৮ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা মৃত আব্দুল খালেক ভূঁইয়া। তিনি ১৯৯৫ সালের ৭ জুলাই বিজিবির চাকরিতে যোগ দেন। দেশের বিভিন্ন বিজিবি সেক্টরে চাকরি করেন। ২০২৪ সালের ২৬ এপ্রিল র্যাব-৭ এ যোগ দেন। ৩০ বছর ৬ মাস ১২ দিন চাকরি করেন তিনি।
