স্বাধীনতার পর এই প্রথমবার বাংলাদেশের মন্ত্রিসভায় নোয়াখালীর কোনো প্রতিনিধি স্থান করে নিতে পারেননি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার ছয়টি আসনের মধ্যে পাঁচটিতে জয় এনে দিয়েও নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় নোয়াখালীর কোনো প্রতিনিধিকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপার্সন জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রীসভায় রাখা হয়নি।
মঙ্গলবার বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভার শপথের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নোয়াখালী ইস্যুটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে। দলীয় কর্মীদের পোস্ট, সমর্থকদের মন্তব্য এবং বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষের প্রতিক্রিয়ায় স্পষ্ট হয়—জেলার মানুষের প্রত্যাশা ছিল অন্তত একজন হলেও মন্ত্রিসভায় জায়গা পাবেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সরকার গঠনের সময় আঞ্চলিক ভারসাম্য, দক্ষতা, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা—সবকিছু মিলিয়ে একটি সমন্বিত হিসাব করা হয়। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে এমন সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের অভিমত।
তবে সংশ্লিষ্ট অনেকেই মনে করছেন, প্রথম দফার মন্ত্রিসভা ঘোষণায় কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে মন্ত্রীসভার সম্প্রসারণে নোয়াখালীর প্রতিনিধিত্ব আসার সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন সরকার দক্ষতা ও কার্যকারিতার মাধ্যমে আস্থা অর্জন করতে পারলে আঞ্চলিক বঞ্চনার এই আলোচনা ধীরে ধীরে প্রশমিত হবে বলেও তাদের বিশ্বাস।
