পাবনার ঈশ্বরদীতে দাদিকে কুপিয়ে হত্যার পর নাতনিকে অপহরণ ও ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার ২৭ ফেব্রুয়ারি রাতের কোনো এক সময় উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন— ভবানিপুর উত্তরপাড়া গ্রামের নজিমুদ্দিনের স্ত্রী সুফিয়া খাতুন (৬৫) ও তার নাতনি জামিলা আক্তার (১৫)। সূত্র – দৈনিক দেশ রুপান্তর অনলাইন।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মধ্যরাতে হঠাৎ কান্নাকাটির আওয়াজ শুনে প্রতিবেশীরা ঘর থেকে বের হলেও কিছুক্ষণ পর শব্দ থেমে যাওয়ায় তারা আবারও নিজ নিজ ঘরে ফিরে যান। সকালে বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। এ সময় তার নাতনি জামিলাকে বাড়িতে খুঁজে না পাওয়া গেলেও পরে পার্শ্ববর্তী একটি সরিষা ক্ষেত থেকে তার বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্বজন ও এলাকাবাসীর ধারণা, কিশোরী জামিলাকে অপহরণের পর ধর্ষণ শেষে হত্যা করে ঘাতকরা মরদেহ সরিষা ক্ষেতে ফেলে রেখে গেছে। নাতনিকে অপহরণে বাধা দেওয়ায় দাদিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সকালে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কী কারণে এই জোড়া হত্যাকাণ্ড ঘটেছে তা গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
