সোমবার, মার্চ ১৬, ২০২৬

ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে সরকার

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের অংশ হিসেবে আরো একটি প্রকল্প শুরু হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের সব মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। আগামী ১৪ মার্চ রাজধানী ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।

আজ রোববার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ এসব তথ্য জানান। অনুষ্ঠানে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদসহ সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ঘোষিত নীতি অনুযায়ী, মসজিদের জন্য মাসিক ১০ হাজার টাকা এবং মন্দির, গির্জা ও বৌদ্ধবিহারের জন্য ৮ হাজার টাকা করে বরাদ্দ থাকবে। এর মধ্যে—

মসজিদ: ইমাম পাবেন ৫ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার এবং খাদেম ২ হাজার টাকা।

মন্দির: পুরোহিত ৫ হাজার ও সেবাইত ৩ হাজার টাকা।

বৌদ্ধবিহার: অধ্যক্ষ ৫ হাজার ও উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা।

গির্জা: যাজক ৫ হাজার ও সহকারী যাজক ৩ হাজার টাকা।

এ ছাড়া ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় এক হাজার টাকা এবং দুর্গাপূজা, বৌদ্ধপূর্ণিমা ও বড়দিনে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় প্রধানদের ২ হাজার টাকা করে উৎসব ভাতা দেওয়া হবে। সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে ১৫ মার্চের মধ্যে নির্বাচিতদের নিকট এই সম্মানী পৌঁছে দেওয়া হবে।

সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রথম পর্যায়ে আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই একটি ‘পাইলট স্কিম’ চালু হচ্ছে। এর আওতায় প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা থেকে একটি করে মোট ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ এবং প্রতিটি উপজেলা থেকে দুটি করে মোট ৯৯০টি মন্দির, ১৪৪টি বৌদ্ধবিহার ও ৩৯৬টি গির্জা নির্বাচন করা হয়েছে।

জনাব ইসমাইল জবিউল্লাহ জানান, পর্যায়ক্রমে দেশের সব মসজিদ ও অন্যান্য উপাসনালয় এই সুবিধার আওতায় আসবে।

সম্মানী প্রদানের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ ও বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ইমাম, মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রধানদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি এবং কর্মের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে একটি স্থায়ী নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে। ছয় সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি এই নীতিমালা তৈরির কাজ করবে।

সংবাদ সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন আশ্বস্ত করেন, এই সম্মানী বিতরণের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অনিয়মের সুযোগ রাখা হবে না। স্বচ্ছতার সঙ্গেই প্রকৃত হকদারদের হাতে এই অর্থ পৌঁছে দেওয়া হবে।

সম্পর্কিত খবর

মহামান্য রাষ্ট্রপতি সংসদে বিধি মোতাবেক ভাষণ দেবেন : স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদে ভাষণ দেবেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, ‘জুলাই...

নূরুল ইসলাম মনিকে সভাপতি করে ১১ সদস্যের সংসদ কমিটি গঠন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম দিনের অধিবেশনে জনাব নূরুল ইসলাম মনিকে সভাপতি করে ১১ সদস্যের সংসদ কমিটি গঠন করা হয়েছে।আজ বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ জাতীয় সংসদের...

চলতি বছরেই রুপপুরের বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হতে যাচ্ছে

অবশেষে চলতি বছরের শেষ নাগাদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে যাচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ১২...

সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে মানুষের জীবনমান উন্নত হবে : জনাব আবু সুফিয়ান এমপি

চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান বলেছেন, বর্তমানে বাংলাদেশ এক কঠিন সময় পার করছে। একদিকে দীর্ঘ ১৭ বছরের আওয়ামী অপশাসন ও দুঃশাসনে বিধ্বস্ত রাষ্ট্রকাঠামো...

ওয়াশিংটনের নীতিকে ‘ভণ্ডামি’ বলে কটাক্ষ করেছেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি

পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা নিয়ে আমেরিকার অবস্থান হঠাৎ বদলে যাওয়ায় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড...

অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিই হবেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান

সংবিধানে বহুল আলোচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল রেখে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। বহুল আলোচিত এই মামলার পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়েছে,...
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত