শিক্ষা খাতের পর এবার স্বাস্থ্য খাতে সবচেয়ে বেশি (৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা) বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, আগামী ৫ বছরে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। চিকিৎসা ব্যয় কমানোর উদ্যোগ তুলে ধরে তিনি জানান, ডায়ালাইসিস ফিল্টার, হার্টের স্টেন্ট (রিং), ভাল্ভ, পেসমেকার, চোখের লেন্স এবং ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু কাঁচামালের ওপর ভ্যাট-ট্যাক্স কমানো হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে তা সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
শহরমুখী রোগীর চাপ কমাতে সরকার দেশের বিদ্যমান ৩১ থেকে ৫১ শয্যার প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে পর্যায়ক্রমে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানান জনাব তারেক রহমান। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের জন্য এসব হাসপাতালের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন করা হবে। এছাড়া শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বরিশাল ও রাজশাহীতে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালসহ মোট পাঁচটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। পরিশেষে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজের সার্বিক সফলতা কামনা করে তাঁর বক্তৃতা শেষ করেন।
