টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের মঞ্চ, ভক্তদের তাই আশা ছিলো দারুণ এক লড়াই দেখতে পাবেন। কিন্তু ভারতের দাপটে ফাইনালটা ঠিক ফাইনালের মতো হতে পারলো না। সম্পূর্ণ একপেশে ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে শিরোপা জিতে নিল সূর্যকুমার যাদবের দল। ইতিহাসের প্রথম দল হিসেবে রেকর্ড তিনবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতার স্বাদ পেল ভারত। এর আগে কোনো দল এতবার এই সংস্করণের বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। সর্বোচ্চ দুবার করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ড। এবার তাদের পেছনে ফেলে নতুন রেকর্ড গড়ল ভারত। ২০২৪ সালের আসরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় শিরোপা জিতেছিল দলটি। এর ফলে প্রথম দল হিসেবে টানা দুবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতার কীর্তি গড়ল ভারত। শুধু তা-ই নয়, স্বাগতিক হিসেবে প্রথম কোনো দলের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয় দেখল ক্রিকেট বিশ্ব।
এদিন টস ভাগ্য ছাড়া খেলার সবকিছুই কেবল ভারতের পক্ষে কথা বলেছে। টসে হারা দলটির জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন ব্যাটাররাই। তিন ফিফটিতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৫৫ রান করেছিল ভারত। এই পুঁজিতে সবচেয়ে বেশি অবদান দুর্দান্ত ফর্মে থাকা সঞ্জু স্যামসনের। টানা তৃতীয় ফিফটি করার পথে ফাইনালে ৪৬ বলে ৮৯ রানের ইনিংস খেলেন এই ওপেনার। এ ছাড়া ইশান কিষান ৫৪ ও অভিষেক শর্মার ব্যাট থেকে আসে ৫২ রান। বল হাতে ৩ উইকেট নিতে ৪৬ রান খরচ করেন জেমস নিশাম।
জবাব দিতে নামা নিউজিল্যান্ডের ইনিংস থেমেছে ১৫৯ রানে। টিম শেইফার্ট ও মিচেল সান্টনার ছাড়া কিউইদের আর কোনো ব্যাটার ভারতীয় বোলারদের সামনে দাঁড়াতে পারেননি। ২৬ বলে ৫২ রান করেন শেইফার্ট। দলপতি সান্টনার এনে দেন ৪৩ রান। বলা বাহুল্য, অন্যরা না দাঁড়াতে পারায় তাঁদের ইনিংস দুটি কেবল দলের হারের ব্যবধানই কমিয়েছে। নিউজিল্যান্ডের পতন হওয়া ১০ উইকেটের সাতটাই ভাগাভাগি করে নেন যশপ্রীত বুমরা ও অক্ষর প্যাটেল। ১৫ রান দেওয়া বুমরার শিকার ৪ উইকেট। ২৭ রানে ৩ ব্যাটারকে ফেরান প্যাটেল।
