আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক জনাব তোফায়েল আহমেদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ০২ জুন দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে ভোলা সরকারি স্কুল মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় দলীয় নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেয়। জানাজার আগে তাঁকে রাষ্ট্রীয় সম্মান ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়। এর আগে দুপুর ২টায় হেলিকপ্টারযোগে তোফায়েল আহমদের মরদেহ ভোলা হেলিপ্যাডে এসে পৌঁছায়। সেখান থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত লাশবাহী গাড়িতে দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে ভোলা সরকারি স্কুল মাঠে জানাজাস্থলে পৌঁছায়। পরে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।
পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেওয়া হয়। এ সময় ভোলা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক, ভোলা জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ গোলাম নবী আলমগীর বলেন, মরহুম তোফায়েল আহমেদ ভোলার কৃতি সন্তান এবং আওয়ামী লীগের বর্ষিয়ান নেতা ছিলেন। আমরা তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের (নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ বাহালুল মোল্লা, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ইউনুছ, ভোলা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রাইসুল আলমসহ বিভিন্ন দলের নেতৃবৃন্দ।
জানাজা শেষে তোফায়েল আহমদের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নে কোড়ালিয়া গ্রামের বাড়িতে। সেখানে মায়ের কবরের পাশে জনাব তোফায়েল আহমেদকে দাফন করা হবে বলে দলীয় সুত্র জানিয়েছে।
এর আগে, জানাজা ঘিরে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোলায় আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদের ২য় জানাজাটি ঘিরে জেলা যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিলো। এসময় সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল লতিফ টিটুর নেতৃত্বে কিছু নেতাকর্মী জানাজাস্থলে এসে জানাজা করতে না দেওয়ার ঘোষণা দেয়। এ সময় তারা পুলিশকে জানায়, জানাজাকে কেন্দ্র করে যদি কোনো ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য বা স্লোগান দেওয়া হয় তবে তারা তা প্রতিহত করবে। পরে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রাইসুল আলম জানাজাস্থলে এসে যুবদলের নেতাকর্মীদের নিয়ে যান।
