কানাডা ১ : সুইজারল্যান্ড ২
ভ্যাঙ্কুভারে বুধবার ‘বি’ গ্রুপের শেষ রাউন্ডে ২-১ গোলে সুইজারল্যান্ড স্বাগতিক কানাডাকে হারিয়েছে। সবকটি গোলই হয়েছে দ্বিতীয়ার্ধে। তবে খেলায় হারলেও গ্রুপের রানার্সআপ হিসেবে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউটে জায়গা করে নিয়েছে কানাডা। এবারের আগে দুইবার বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে ছয় ম্যাচের সবকটি হেরেছিল কানাডা। এবার ঘরের মাঠের আসরে বসনিয়ার সঙ্গে ১-১ ড্রয়ে প্রথম পয়েন্ট পায় সহ-আয়োজক দলটি। দ্বিতীয় ম্যাচে কাতারকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে পায় প্রথম জয়ের স্বাদ। এবার হেরে গেলেও, পরের ধাপে জায়গা করে নিয়ে ঐতিহাসিক অর্জন করলো জেসি মার্শের দল।
ম্যাচে লড়াই হয়েছে জমজমাট। ৫৫ শতাংশ পজেশন রেখে গোলের জন্য ছয়টি শট নিয়ে চারটি লক্ষ্যে রাখতে পারে সুইজারল্যান্ড। কানাডার ১৩ শটের সাতটি লক্ষ্যে ছিল। একাদশ মিনিটে প্রথম সুযোগ পায় সুইজারল্যান্ড। বল নিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন ব্রিল এমবোলো। ওয়ান-অন-ওয়ানে তার শট এগিয়ে এসে রুখে দেন গোলরক্ষক মাক্সিম ক্রেপো। এরপরও সুযোগ ছিল। বসনিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করা মানজাবির প্রচেষ্টা আটকে দেন এক ডিফেন্ডার। দুই মিনিট পর কানাডার ল্যারিন সতীর্থের থ্রু বল ধরে বক্সে ঢুকে গোলরক্ষককে কাটানোর চেষ্টায় ব্যর্থ হন, যদিও দেরিতে অফসাইডের বাঁশি বাজান রেফারি। ৩৩তম মিনিটে ভালো সুযোগ পায় কানাডা। বক্সের ভেতর থেকে ল্যারিনের নিচু শট ঠেকান সুইস গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেল। ৪১তম মিনিটে ল্যারিনের আরেকটি প্রচেষ্টা ফেরান তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরুতেই এগিয়ে যায় সুইজারল্যান্ড। ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে পাস দেন মানজাবি। এমবোলো বলের নাগাল না পেলেও নিচু শটে জালে পাঠান ভার্গাস। ৫৭তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে সুইজারল্যান্ড। এমবোলোর পাস বক্সে পেয়ে জোরাল শটে ঠিকানা খুঁজে নেন মানজাবি। বল হাতে লাগলেও আটকাতে পারেননি গোলরক্ষক।
৭৫তম মিনিটে বদলি নামার পরের মিনিটেই চমৎকার গোলে ব্যবধান কমান কানাডার প্রমিস ডেভিড। বক্সে প্রথম স্পর্শে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে দ্বিতীয় স্পর্শে অন্য পাশে পাস দেন সালিবা, আর ছুটে গিয়ে ভলিতে জালে পাঠান ডেভিড। শেষ দিকে সমতা টানার বেশ কয়েকটি সুযোগ পায় কানাডা। কিন্তু গোলরক্ষক কোবেলের দেয়াল আর ভাঙতে পারেননি তারা।
