চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টিপাতের পরও অনেক এলাকায় দ্রুত পানি নেমে যাচ্ছে। সিডিএর আওতায় থাকা ৩৬টি খালের মধ্যে ৩০টির কাজ সম্পূর্ণ শেষ হয়েছে। আরও পাঁচটি খালের কাজ ৯৮ শতাংশ এবং হিজরা খালের কাজ ৬৮ শতাংশ অগ্রগতি অর্জন করেছে।
তবে জলাবদ্ধতা নিরসনে সব সেবা সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। গতকাল চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন জলাবদ্ধ এলাকা ও চলমান উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ( চউক) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিগত সরকারের সময় রাজনৈতিক কারণে সিটি করপোরেশনের পরিবর্তে এ দায়িত্ব চউক’কে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এ ধরনের কাজ পরিচালনার জন্য আমাদের প্রয়োজনীয় জনবল নেই। সে কারণে সেনাবাহিনীর কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়েছে। নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা চউক এর মূল দায়িত্ব নয়। সংস্থাটির প্রধান দায়িত্ব অবকাঠামোগত উন্নয়ন।
জলাবদ্ধতা নিরসনে ৩৯টি রেগুলেটরের গুরুত্ব তুলে ধরে বেলায়েত হোসেন বলেন, সব রেগুলেটর বর্তমানে সচল নেই। বুধবার ( ৮ জুলাই ) বিকেল থেকেই সেনাবাহিনী এসব রেগুলেটরের দায়িত্ব গ্রহণ করবে। তবে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অবহেলার কারণে রেগুলেটর কিংবা পাম্প অচল থাকলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চউক চেয়ারম্যান আরও বলেন, ড্রেনে পলিথিন, আসবাবপত্র ও বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য ফেলার কারণে পানি নিষ্কাশনে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। তাই নাগরিকদের আরও দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। এসময় তিনি দোষারোপের রাজনীতি পরিহার করে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, চট্টগ্রাম ওয়াসা, সিডিএ ও সেনাবাহিনীকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে আধুনিক ও জলাবদ্ধতামুক্ত চট্টগ্রাম গড়তে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। প্রকল্প পরিদর্শনের সময় চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোহাম্মদ জানে আলম, সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং সিডিএর ঊর্ধ্বতন প্রকৌশলীরা উপস্থিত ছিলেন।
