শেখ হাসিনা দিল্লিতে বক্তব্য দেওয়ার পর ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক এখন কেমন হবে, জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, একটা দেশের সাথে একটা সরকার… একটা গভর্নমেন্ট টু গভর্নমেন্ট রিলেশনতো বহুমুখী হয়। এখন আমরা যদি…খুনি হাসিনা বা তার দোসররা তো চাইবেই যে আমরা ওই জায়গায় আটকে থাকি। আমরা তো… বাংলাদেশ তো একটা জায়গায় আটকে থাকতে পারে না। একটা দেশের সাথে একটা দেশের বহুমুখী সম্পর্ক। আমি আগেই বলেছি কিন্তু, তাদের সাথে আমাদের অনেক ডায়লগ… ভারতের সাথে আমাদের অনেক ডায়লগ হওয়ার প্রয়োজন, অনেক আলোচনার প্রয়োজন আছে, আমাদের বিভিন্ন ইস্যু আছে, আমাদের এনার্জি নিয়ে আমাদের কো-অপারেশন আছে, আমাদের পানি নিয়ে ওদের সাথে বিরাট ইস্যু আছে, বর্ডার নিয়ে ইস্যু আছে, তো এগুলো তো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, এখানে ২৪ ঘণ্টা, ৩৬ ঘণ্টার ব্যাপার নয়; এই আলোচনাগুলো চলবে, এই ডায়লগগুলো চলবে। কিন্তু ঐটাও তো একটা বার্নিং ইস্যু, যেটা জুলাইযোদ্ধাদের আহত করে, যেটা জুলাইযোদ্ধাদের পরিবারদের আহত করে, যেটা বাংলাদেশের জনগণের সেন্টিমেন্টকে আঘাত করে, যেটা বাংলাদেশের ১৭ কোটি গণতন্ত্রকামী মানুষ—যারা যুদ্ধ করেছে, প্রাণ দিয়েছে, রক্ত দিয়েছে—তাদের আহত করে, সেই জায়গায় ভারতকে আরও বেশি সংবেদনশীল হতে হবে এবং তাদের ভবিষ্যতে কী করতে হবে, সে বিষয়ে তাদের একটি অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তাপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
আপনারা এর আগেও বহুবার ভারতকে একই অবস্থানই জানিয়েছেন। কিন্তু গতকালকে তারপরেও দিল্লিতে এরকম একটা প্রেস ব্রিফিং টাইপ ঘটনা ঘটলো। এরকম যদি চলতে থাকে, তাহলে হাইয়েস্ট লেভেলের ভিজিটের মতো ভালো সম্পর্ক কি থাকবে? নাকি অন্তত কতটুক সীমার রেখা বাংলাদেশ রাখবে? – এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইন্ডিয়া ইজ এ ডেমোক্রেটিক কান্ট্রি। ইন্ডিয়া হ্যাজ টু ডিসাইড হোয়াট দেয়ার ফরেন পলিসি উইল বি রিগার্ডিং বাংলাদেশ। সো, আমরা চাই ভালো সম্পর্ক থাকুক দুই দেশের জনগণের স্বার্থে। কিন্তু সম্পর্কটা তো হতে হবে সমতার ভিত্তিতে, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্মানের জায়গা রেখে এবং নিজেদের স্বার্থটাকে বজায় রেখে। তো সেটা ভারত বুঝতে পারলে সবার জন্য মঙ্গল।
