চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামে ১৫ আগষ্ট উপলক্ষে আলোচনা করার জন্য জড়ো হওয়া ও নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে নগরীর ডবলমুরিং এলাকা থেকে গ্রেফতার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের ১০ জন আইনজীবীকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক দিনের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার ( ২৩ আগষ্ট ) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মুহিদুল ইসলাম এ আদেশ দেন। জিজ্ঞাসাবাদে যাওয়া আসামিরা হলেন- ইস্কান্দার মির্জা, সঞ্জয় কান্তি নাথ, এস এম সালাউদ্দিন, আহসান আবিদ, সুলতান মাহমুদ জিদান, পার্থ প্রতিম নন্দী, শুভ আইচ, মশিউর রহমান আবির, জাকির হোসেন ও যীশু রায় চৌধুরী।
প্রসঙ্গত, গত ১৫ অগাস্ট বিকেলে ডবলমুরিং থানা এলাকায়র মনসুরাবাদ ওয়াপদা কলোনি সংলগ্ন হাজী ফজলুল করিম চৌধুরী ‘রয়েল টার্চ ‘ অ্যাপার্টমেন্ট নামের একটি ভবনের পঞ্চম তলায় ১৫ আগষ্ট সন্ধ্যায় বাংলাদেশ কৃষক লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক এবং চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের জেলা পরিষদের সদস্য
অ্যাডভোকেট উম্মে হাবিবা (৪৭) এর নেতৃত্বে ১৫ জন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের সদস্যগন ১৫ই আগস্ট
শেখ মুজিবুরের মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা করার জন্য জড়ো হয়। এসময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডবলমুরিং থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে তাৎক্ষণিকভাবে ১৫ জন আইনজীবীকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন ১৫ জনকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হলে আদালত ১০ জনকে কারাগারে এবং ৫ জন নারী আইনজীবীকে জামিনে মুক্তির আদেশ দেন। পরে ২৩ অগাস্ট এই ১০ আসামির সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। এদিন শুনানিকালে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল করে জামিন প্রার্থনা করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জেলগেটে এক দিনের জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন।
