শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬

৬৭৭ বিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি—সামনে সম্ভাবনার বড় সুযোগ, নাকি পরিসংখ্যানের মোহ?

২০৩০-এ মালয়েশিয়া-ভিয়েতনাম-থাইল্যান্ডকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ?

সম্পাদকের ডেস্ক

মাত্র চার বছর পরের একটি ছবি। দক্ষিণ এশিয়ার ঘনবসতিপূর্ণ বাংলাদেশ তখন বৈশ্বিক অর্থনীতির ৩২তম বৃহৎ দেশ। অর্থনীতির আকারে পেছনে পড়ে গেছে মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ড—দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার যেসব দেশ একসময় বাংলাদেশের তুলনায় অনেক এগিয়ে ছিল। এমনই একটি পূর্বাভাস এখন অর্থনীতির আলোচনায় নতুন করে আগ্রহ তৈরি করেছে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পূর্বাভাস-তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালে বাংলাদেশের নামমাত্র মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) দাঁড়াতে পারে প্রায় ৬৭৭ বিলিয়ন ডলারে। একই সময়ে মালয়েশিয়ার অর্থনীতি ৬৭২.৫ বিলিয়ন, ভিয়েতনামের ৬৬৭.৫ বিলিয়ন এবং থাইল্যান্ডের ৬৪৭.৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। ফলে অর্থনীতির মোট আকারের বিচারে বাংলাদেশ উঠে আসতে পারে এ তিন দেশের ওপরে।

খবরটি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জন্য আশাব্যঞ্জক। কিন্তু এর ভেতরে রয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—অর্থনীতির মোট আকার বড় হওয়া কি মানুষের জীবনযাত্রার মানেও একই ধরনের অগ্রগতি বোঝায়?

উত্তরটি সরল নয়।

৬৭৭ বিলিয়ন ডলারের সেই হিসাব
আইএমএফের তথ্য ব্যবহার করে তৈরি ২০৩০ সালের বৈশ্বিক অর্থনীতির তালিকায় বাংলাদেশকে ৩২তম অবস্থানে রাখা হয়েছে। বাংলাদেশের সম্ভাব্য GDP ৬৭৭ বিলিয়ন ডলার। এর ঠিক পরেই মালয়েশিয়া ৬৭২.৫ বিলিয়ন, ভিয়েতনাম ৬৬৭.৫ বিলিয়ন এবং থাইল্যান্ড ৬৪৭.৫ বিলিয়ন ডলার নিয়ে অবস্থান করবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

অর্থাৎ বাংলাদেশের সঙ্গে মালয়েশিয়ার ব্যবধান মাত্র ৪.৫ বিলিয়ন ডলার এবং ভিয়েতনামের সঙ্গে ৯.৫ বিলিয়ন ডলার। এত অল্প ব্যবধানের অর্থ হলো—এটি কোনো নিশ্চিত ভবিষ্যৎ নয়; বরং বর্তমান পূর্বাভাস ও অনুমানের ভিত্তিতে আঁকা একটি সম্ভাব্য চিত্র। অন্যদিকে থাইল্যান্ডের সঙ্গে ব্যবধান প্রায় ২৯.৫ বিলিয়ন ডলার।

আরও বড় ছবিতে দেখা যায়, ২০৩০ সালে বিশ্বের মোট অর্থনীতি ১৫০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ৩৭.৭ ট্রিলিয়ন ডলার নিয়ে শীর্ষে এবং চীন প্রায় ২৬ ট্রিলিয়ন ডলার নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। জার্মানি ও ভারতের অর্থনীতিও প্রায় সমান—যথাক্রমে ৬.১৭৮ ট্রিলিয়ন ও ৬.১৭৩ ট্রিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ এত দ্রুত এগোবে কেন?
বাংলাদেশের অর্থনীতির এই সম্ভাব্য উত্থানের পেছনে প্রথম যে বিষয়টি কাজ করছে তা হলো দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির সক্ষমতা।

আইএমএফের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রকৃত GDP প্রবৃদ্ধি ২০২৬ সালে ৪.৭ শতাংশ, ২০২৭ সালে ৪.৩ শতাংশ এবং পরবর্তী বছরগুলোতে আবার বাড়ার পূর্বাভাস রয়েছে। যুক্তরাজ্য সরকারের ২০২৬ সালের বাংলাদেশ অর্থনৈতিক তথ্যপত্রে আইএমএফের পূর্বাভাস উদ্ধৃত করে ২০৩০ সালে বাংলাদেশের প্রকৃত GDP প্রবৃদ্ধি ৫.৮ শতাংশ দেখানো হয়েছে। একই সূত্রে ২০২৯ সালে ৫.৭ শতাংশ এবং ২০৩১ সালে ৬.১ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস রয়েছে।

অর্থাৎ সাম্প্রতিক ধাক্কা, মূল্যস্ফীতি, আর্থিক খাতের দুর্বলতা কিংবা বিনিয়োগের মন্থরতার মধ্যেও মধ্যমেয়াদে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি আবার শক্তিশালী হওয়ার প্রত্যাশা করছে আইএমএফ।

এখানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি তার বিশাল অভ্যন্তরীণ বাজার। ২০৩০ সালে দেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৮ কোটি ১৮ লাখে পৌঁছানোর পূর্বাভাস রয়েছে। এত বড় কর্মক্ষম ও ভোক্তা জনগোষ্ঠী শিল্প, সেবা, অবকাঠামো, আবাসন, পরিবহন, ডিজিটাল অর্থনীতি ও ভোগব্যয়ের জন্য বড় বাজার তৈরি করে।

রপ্তানি অর্থনীতির নতুন অধ্যায়
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উত্থানের সবচেয়ে পরিচিত গল্প তৈরি করেছে তৈরি পোশাক শিল্প। কিন্তু আগামী দিনের গল্প শুধু পোশাক দিয়ে লেখা যাবে না।

রপ্তানির পরিমাণ বাড়ানোর পাশাপাশি রপ্তানি পণ্যের বৈচিত্র্য, প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন, ওষুধ, চামড়া, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, ইলেকট্রনিকস, হালকা প্রকৌশল এবং তথ্যপ্রযুক্তি—এসব খাত বাংলাদেশের পরবর্তী প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি হতে পারে।

আইএমএফের সাম্প্রতিক পূর্বাভাসে বাংলাদেশের পণ্য ও সেবা রপ্তানি ২০২৬ থেকে ২০৩১ পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে বাড়ার সম্ভাবনা দেখানো হয়েছে। ২০২৭ সালে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ১৩.১ শতাংশ, ২০২৮ সালে ৯.৮ শতাংশ, ২০২৯ সালে ৯.৭ শতাংশ এবং ২০৩০ সালে ৯ শতাংশ ধরা হয়েছে। এই প্রবৃদ্ধি বাস্তবে অর্জিত হলে বৈদেশিক মুদ্রা আয় এবং উৎপাদন সক্ষমতা—দুই ক্ষেত্রেই তা গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

কিন্তু মালয়েশিয়া বা ভিয়েতনামকে ছাড়ানো মানেই কি তাদের চেয়ে ধনী হওয়া?
এখানেই সবচেয়ে বড় ভুল বোঝাবুঝির সুযোগ।GDP-এর মোট আকার এবং মাথাপিছু আয় এক বিষয় নয়।

বাংলাদেশের জনসংখ্যা মালয়েশিয়া বা থাইল্যান্ডের তুলনায় অনেক বেশি। ফলে ৬৭৭ বিলিয়ন ডলারের একটি অর্থনীতি প্রায় ১৮ কোটি মানুষের মধ্যে ভাগ হলে মাথাপিছু উৎপাদন ও আয় অনেক কম থাকে।

আইএমএফ-ভিত্তিক একই পূর্বাভাসে ২০৩০ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু GDP প্রায় ৩,৭০০ ডলার ধরা হয়েছে। বিপরীতে মালয়েশিয়ার মাথাপিছু GDP প্রায় ১৮,৯০০ ডলার এবং ভিয়েতনামের প্রায় ৬,৩০০ ডলার।

অর্থাৎ অর্থনীতির মোট আয়তনে বাংলাদেশ এগিয়ে গেলেও গড় বাংলাদেশি নাগরিকের আয় মালয়েশিয়া বা ভিয়েতনামের নাগরিকের সমান হয়ে যাবে—এমন কোনো অর্থ এই পূর্বাভাসে নেই।বরং এর অর্থ হলো, বড় জনসংখ্যার কারণে বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উৎপাদনের পরিমাণ দ্রুত বড় হচ্ছে।

ভিয়েতনামের সঙ্গে প্রতিযোগিতাই সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ
বাংলাদেশের জন্য ভিয়েতনামের সঙ্গে তুলনাটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশই বৃহৎ শ্রমশক্তি, রপ্তানিমুখী উৎপাদন এবং এশীয় সরবরাহ-শৃঙ্খলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে চাইছে।

আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী ২০৩০ সালে ভিয়েতনামের GDP ৬৬৭.৫ বিলিয়ন ডলার হতে পারে। দেশটির প্রকৃত GDP প্রবৃদ্ধি ২০২৬ সালে ৭.১ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে ৬.৭ শতাংশের মতো শক্তিশালী থাকার পূর্বাভাস রয়েছে। অর্থাৎ বাংলাদেশের মোট GDP সামান্য বেশি হলেও ভিয়েতনামের প্রবৃদ্ধির গতি আরও শক্তিশালী হতে পারে।

ভিয়েতনামের সাফল্যের বড় কারণগুলোর একটি হলো বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করে উৎপাদন ও রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানো। বাংলাদেশও যদি বৈদেশিক বিনিয়োগ, বিদ্যুৎ-জ্বালানি, বন্দর, কাস্টমস, জমি, করব্যবস্থা ও নীতির পূর্বানুমানযোগ্যতার ক্ষেত্রে দ্রুত উন্নতি করতে পারে, তাহলে এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্ত হতে পারে।

মালয়েশিয়ার গল্প অন্যরকম
মালয়েশিয়ার অর্থনীতি ২০৩০ সালে ৬৭২.৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে আইএমএফের পূর্বাভাস। দেশটির ২০২৬-৩০ সময়কালে প্রকৃত GDP প্রবৃদ্ধি প্রায় ৪.৩-৪.৭ শতাংশের মধ্যে থাকার পূর্বাভাস রয়েছে। কিন্তু মালয়েশিয়ার অর্থনীতির কাঠামো বাংলাদেশের তুলনায় অনেক বেশি উন্নত। দেশটির মাথাপিছু GDP ২০৩০ সালে প্রায় ১৮,৯০০ ডলারে পৌঁছানোর পূর্বাভাস রয়েছে।

সুতরাং মোট GDP-এর তালিকায় বাংলাদেশ কয়েক ধাপ ওপরে উঠলেও উন্নয়ন সূচক, মাথাপিছু আয়, উৎপাদনশীলতা, প্রযুক্তি ও জীবনমানের বিচারে দুই দেশের মধ্যে বড় ব্যবধান থাকবে।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন: বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি কতটা টেকসই?
এখানেই পূর্বাভাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশটি লুকিয়ে আছে। আইএমএফের বাংলাদেশ বিষয়ক সাম্প্রতিক মূল্যায়নে বলা হয়েছে, অর্থনীতির সামনে দুর্বল রাজস্ব আহরণ, আর্থিক খাতের ঝুঁকি এবং সংস্কার বাস্তবায়নে বিলম্বের মতো গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সংস্থাটি আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা, রাজস্ব সংস্কার, সুশাসন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনীতির বহুমুখীকরণের ওপর জোর দিয়েছে।

অর্থাৎ ৬৭৭ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যে পৌঁছানোর পথে শুধু প্রবৃদ্ধির হার যথেষ্ট নয়।

প্রয়োজন—

ব্যাংকিং খাতের সুশাসন ও খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণ;
কর-জিডিপি অনুপাত বাড়ানো;
বেসরকারি বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করা;
জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নির্ভরযোগ্য করা;
রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনা;
দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি;
বন্দর ও লজিস্টিকসের দক্ষতা বাড়ানো;
দুর্নীতি ও নীতিগত অনিশ্চয়তা কমানো;
নারী শ্রমশক্তির অংশগ্রহণ বাড়ানো;
এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে, উৎপাদনশীলতা বাড়ানো।
লড়াই শুধু GDP-এর নয়
২০৩০ সালের তালিকাটি বাংলাদেশের জন্য একটি প্রতীকী মাইলফলক হতে পারে। কারণ যে দেশকে একসময় আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে প্রধানত ‘উন্নয়ন সহায়তার গ্রহীতা’ হিসেবে দেখা হতো, সেই দেশই এখন কয়েকটি প্রতিষ্ঠিত মধ্যম আয়ের অর্থনীতির মোট আকারের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে। কিন্তু উন্নয়নের প্রকৃত পরীক্ষা হবে অন্য জায়গায়।

বাংলাদেশ কি এমন একটি অর্থনীতি তৈরি করতে পারবে যেখানে প্রবৃদ্ধির সুফল মানুষের আয় ও কর্মসংস্থানে পৌঁছাবে? শিক্ষিত তরুণরা কি পর্যাপ্ত ভালো চাকরি পাবেন? শিল্প কি কম দক্ষ ও কম মজুরির উৎপাদন থেকে উচ্চমূল্যের উৎপাদনে যেতে পারবে? ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান কি বিনিয়োগের জন্য নির্ভরযোগ্য অর্থের উৎস হবে? রপ্তানি কি পোশাকের বাইরে আরও বিস্তৃত হবে?এসব প্রশ্নের উত্তরই ঠিক করবে ৬৭৭ বিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি আসলে কতটা শক্তিশালী।

২০৩০: সম্ভাবনার দরজা, নিশ্চয়তার সনদ নয়
আইএমএফের পূর্বাভাস কোনো ভবিষ্যদ্বাণীর নিশ্চয়তাপত্র নয়। এটি বিদ্যমান তথ্য, প্রবৃদ্ধির প্রবণতা, মূল্যস্ফীতি, বিনিময় হার, জনসংখ্যা ও অন্যান্য অর্থনৈতিক অনুমানের ভিত্তিতে তৈরি একটি সম্ভাব্য ভবিষ্যৎচিত্র।

তার ওপর বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার সম্ভাব্য GDP-এর ব্যবধান মাত্র কয়েক বিলিয়ন ডলার। ফলে আগামী চার বছরে বিনিময় হার, মূল্যস্ফীতি, প্রবৃদ্ধির গতি কিংবা বৈশ্বিক অর্থনীতির পরিবর্তনে এই র‌্যাঙ্কিং বদলে যেতে পারে। তবু পূর্বাভাসটির গুরুত্ব কম নয়।

কারণ এটি দেখাচ্ছে—বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন এমন একটি আকারে পৌঁছেছে, যেখানে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার তুলনামূলকভাবে উন্নত অর্থনীতিগুলোর সঙ্গে মোট অর্থনৈতিক উৎপাদনের হিসাবেও সরাসরি প্রতিযোগিতা করার অবস্থানে এসেছে।

কিন্তু ২০৩০ সালের বাংলাদেশের আসল সাফল্য শুধু ৩২তম বৃহত্তম অর্থনীতি হওয়া নয়। আসল সাফল্য হবে—এই ৬৭৭ বিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিকে কতটা উৎপাদনশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক, বৈচিত্র্যময় ও মানুষের জীবনমান উন্নতকারী অর্থনীতিতে রূপ দেওয়া যায়।

সেই অর্থে ২০৩০ সালের হিসাবটি কোনো সমাপ্তির গল্প নয়।

বরং এটি বাংলাদেশের সামনে রাখা একটি প্রশ্ন—

অর্থনীতির আকার বড় হবে, কিন্তু সেই বড় অর্থনীতি কি একই সঙ্গে আরও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ তৈরি করতে পারবে?

সম্পর্কিত খবর

চট্টগ্রামে এক টেবিলে ২৭ মানুষের সুখ-দুঃখের কথা শুনলেন জেলা প্রশাসক

চট্টগ্রাম : কারও শরীর প্যারালাইসিসে অবশ, কারও প্রয়োজন অস্ত্রোপচার। কেউ কিডনি রোগের চিকিৎসা চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। আবার অর্থের অভাবে মেয়ের বিয়ে নিয়ে দুশ্চিন্তায় এক...

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অভিযানে পিচ্চি জাহিদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ১২, স্বীকারোক্তি ১ জনের

চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে জাহেদুল আলম (৩৩) ওরফে ‘পিচ্চি জাহিদ’কে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এজাহারনামীয় ১২ জন আসামিকে গ্রেপ্তার...

চট্টগ্রাম বিপনি বিতানে কাপড়ের গুদামে আগুন

চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম নগরীর নিউমার্কেটে একটি কাপড়ের গুদামে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের ত্রুটিতেঅগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর)...

চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কে বিক্ষোভ ও অবরোধ করলেন ব্যাংক কর্মকর্তা কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন ইসলামী ব্যাংকের চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা কর্মচারীরা। সোমবার রাতে সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রায় দুই...

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কে দুটি আমন্ত্রণ দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের জন্য দু’টি পৃথক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল বলে জানিয়েছে প্রতিবেশী ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর একটি ছিল দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য,...

মুক্তিযোদ্ধা-সাংবাদিক রইসুল হক বাহারের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী আগামীকাল

মুক্তিযোদ্ধা-সাংবাদিক রইসুল হক বাহারের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আগামীকাল ১৮ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার। একাত্তরের এই গেরিলা যোদ্ধা ২০১৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। কৈবল্যধাম...
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত