চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম বোয়ালখালী এলাকায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় হাতকড়াসহ পালিয়ে যান মোহাম্মদ মহিউদ্দিন (২৮) নামের এক আসামি। পরে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আবার গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্য, মামলার বাদীসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। পুলিশের ওপর হামলায় সহায়তার অভিযোগে মহিউদ্দিনের এক আত্মীয় ও গ্রাম পুলিশ সদস্য জেবল হোসাইন (২৩)-কে আটক করা হয়েছে।
রবিবার রাতে ১১ টায় উপজেলার চরণদ্বীপ ইউনিয়নের মসজিদঘাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- বোয়ালখালী থানার এসআই আবদুল হালিম (৪৮), এএসআই মাসুম বিল্লাহ (৩৫), কনস্টেবল হাসানুজ্জামান (৩২), মামলার বাদী আবদুল মান্নান (৫৫) ও মোক্তার হোসেন (৪০)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার উত্তর করলডেঙ্গা শিকদার বাড়ি এলাকার বাসিন্দা মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে আদালতে নালিশি মামলা করেন আবদুল মান্নান। ওই মামলায় আদালত মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। রবিবার রাতে ওই পরোয়ানা তামিল করতে বোয়ালখালী থানার পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়। এসময় মামলার বাদী আবদুল মান্নানও পুলিশের সঙ্গে ছিলেন। একপর্যায়ে মহিউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে তার হাতে হাতকড়া পরানো হয়। পুলিশ জানায়, এরপর মহিউদ্দিন পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে পুলিশ সদস্যদের আঁচড় ও কামড় দিয়ে তিনি হাতকড়াসহ পালিয়ে যান।
পরে তাকে ধরতে এলাকায় অভিযান শুরু করে পুলিশ। একপর্যায়ে মহিউদ্দিনকে আবার গ্রেপ্তার করা হয়। বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন বলেন, পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হাতকড়াসহ পালিয়ে গেলেও পরে মহিউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আহত পুলিশ সদস্যরা রাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। ওসি আরও বলেন, পুলিশের ওপর হামলায় সহায়তার অভিযোগে গ্রাম পুলিশ সদস্য জেবল হোসাইনকে আটক করা হয়েছে। তিনি মূল মামলার আসামি নন। তবে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
