ইংল্যান্ড ২ : ১ ডিআর কঙ্গো
জাপান যেমন প্রথমে ১ গোল দিয়ে ব্রাজিলকে হতভম্ব করে দিয়েছিল ঠিক তেমনি আজকে রাতের খেলাতেও ডিআর কঙ্গো প্রথমে ১ গোলে এগিয়ে গিয়ে ইংল্যান্ডকে স্তম্ভিত করে দিয়েছিল। এরপর ভাগ্যের অসহযোগিতা, কঙ্গোর গোলকিপারের দুর্দান্ত কিছু সেইভ এবং কঙ্গোর লৌহ সমনীয় দৃঢ় রক্ষণ দেখে অনেকেই বিপদের আশংকা করছিলেন এবং নেদারল্যান্ডসের মতো আরেকটি বিপর্যয়ের আলামত দেখা যাচ্ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো বিপর্যয় ঘটেনি। কেইনের জোড়া গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড।
ম্যাচের শুরুতেই ব্রায়ান সিপেঙ্গার গোলে পিছিয়ে পড়েছিল ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধজুড়ে একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও সমতায় ফিরতে পারেনি থ্রি লায়নরা। তবে বিরতির পর আক্রমণের ধার বাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত দারুণ এক প্রত্যাবর্তন করেছে তারা।
৭৫তম মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে সমতা ফেরান অধিনায়ক হ্যারি কেইন। এরপর ম্যাচের ৮৬তম মিনিটে আবারও জালে বল জড়িয়ে ইংল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি এবং নকআউট পর্বের পরবর্তী পর্ব নিশ্চিত করেন।
১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপে প্রথমে গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ার পর এবারই প্রথম কোনো ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়ল ইংল্যান্ড। আর সেই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনের নায়ক অধিনায়ক হ্যারি কেইন। অন্যদিকে অসাধারণ লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত বিদায় নিতে হলো ডিআর কঙ্গোকে।
