চট্টগ্রাম : নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত হাসপাতাল পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা (CSR) কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিচ্ছন্ন রাখার লক্ষ্য এপিক হেলথ কেয়ার লিমিটেড চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিপুলসংখ্যক আধুনিক ডাস্টবিন বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জনাব ডা. শাহাদাত হোসেন। এসময় তিনি বলেন, “একটি পরিচ্ছন্ন হাসপাতাল মানেই একটি নিরাপদ হাসপাতাল। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় এপিক হেলথ কেয়ারের এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক কার্যক্রম জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন। তিনি জানান, “হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা রোগী, স্বজন এবং স্বাস্থ্যকর্মী—সবার নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এপিক হেলথ কেয়ারের পক্ষ থেকে ডাস্টবিন বিতরণের এই উদ্যোগ হাসপাতালের বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করতে সহায়তা করবে। জনকল্যাণে তাদের এই সহযোগিতার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পেডিয়াট্রিক্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী, নাক, কান ও গলা (ENT) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. নুরুল করিম, ডা. ইয়াসিন, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ডা. মোহাম্মদ সামিয়ুল করিম, হাসপাতালের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
এপিক হেলথ কেয়ারের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর জনাব টি. এম. হান্নান, ডিরেক্টর মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, ডিরেক্টর অপারেশনস ডাঃ আব্দুর রাজ্জাক, ডিজিএম সৌমেন পালিত, ডিজিএম সুমণ রঞ্জন ভৌমিক এবং ডিজিএম আমিরুল ইসলামসহ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা পরিচ্ছন্ন হাসপাতাল গড়ে তুলতে সকলের সম্মিলিত দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা বলেন, একটি পরিচ্ছন্ন হাসপাতাল শুধু রোগী ও স্বজনদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করে না, বরং সংক্রমণ প্রতিরোধ, স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ এবং উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এপিক হেলথ কেয়ারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, “মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি সমাজের সার্বিক কল্যাণে অবদান রাখা আমাদের অন্যতম অঙ্গীকার। জনস্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ সুরক্ষায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
