চট্টগ্রাম : উত্তমকুমার বাংলা সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। দশকের পর দশক, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁর অটল অবস্থান সমস্ত বাঙালির অন্তর জুড়ে। মৃত্যুর প্রায় পঞ্চাশ বছর পরেও তাঁর জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা এখনও সমান অটুট। বাংলা ও উপমহাদেশের চলচ্চিত্র অভিনয়কে তিনি শীর্ষ পর্যায়ে অধিষ্ঠিত করে রেখে গেছেন যা একটি বিশেষ অভিনয় ঘরানা তৈরি করেছে।
বিগত শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকেলে চট্টগ্রাম আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ মিলনায়তনে চট্টগ্রাম ফিল্ম ইনস্টিটিউট ও আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ চট্টগ্রামের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত “উত্তমকুমার জন্মশতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠান”- এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথিরা তাঁদের বক্তব্যে কথাগুলো বলেন। দুদিন ব্যাপী উদযাপন অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট চিকিৎসা বিজ্ঞানী, শিশু সংগঠক ও অগ্রজ চলচ্চিত্র সংসদ ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক ডা. এ.কিউ.এম.সিরাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লেখক ও সংস্কৃতি সংগঠক খন রঞ্জন রায়। চট্টগ্রাম ফিল্ম ইনস্টিটিউটের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আরাফাতুল আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ চট্টগ্রামের উপ পরিচালক ড.গুরুপদ চক্রবর্তী এবং সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম ফিল্ম ইনস্টিটিউটের সভাপতি শৈবাল চৌধূরী।
এরপর উদ্বোধনী চলচ্চিত্র হিসেবে প্রদর্শিত হয় সত্যজিৎ রায় পরিচালিত ও উত্তমকুমার অভিনীত “নায়ক”। উদযাপন অনুষ্ঠান উপলক্ষে চট্টগ্রাম ফিল্ম ইনস্টিটিউটের মুখপত্র “ডিপ ফোকাস” -এর উত্তমকুমার জন্মশতবর্ষ সংখ্যা এবং একটি পোস্টার প্রকাশিত হয়েছে।
উদযাপন অনুষ্ঠানের ২য় দিন ১২ সেপ্টেম্বর বিকেলে প্রদর্শিত হয় অজয় কর পরিচালিত উত্তম সুচিত্রা অভিনীত “সপ্তপদী”। মিলনায়তন পূর্ণ দর্শকেরা দুদিন ব্যাপী এই উদযাপন অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।
