চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন জামালখান এলাকায় সাত বছরের শিশু মারজানা হক বর্ষা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফসা জুমার আদালতে মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। প্রথম সাক্ষী হিসেবে আদালতে জবানবন্দি দেন ভিকটিমের মা মামলার বাদী ঝর্ণা বেগম। এসময় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়লে আদালতে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সাক্ষ্য গ্রহণের বিষয়ে
পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ জানান, কোতোয়ালী থানার সাত বছর বয়সী শিশু মারজানা হক বর্ষা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। এর আগে মামলাটি চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠন করা হয়েছিলেন। এসময়
মামলার প্রথম সাক্ষী হিসেবে আদালতে জবানবন্দি প্রদানকারী ভিকটিমের মা মামলার বাদী ঝর্ণা বেগমকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জেরা করেন। আদালত মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী রোববার দিন ধার্য করেছেন।
এদিকে আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে ঝর্ণা বেগম বলেন, ২০২২ সালের ২৪ অক্টোবর বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের জামালখান এলাকার বাসা থেকে চিপস কিনতে বের হওয়ার পর তার মেয়ে মারজানা হক বর্ষা আর ফিরে আসেনি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরদিন কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। নিখোঁজের তিন দিন পর ২৭ অক্টোবর বিকেলে জামালখানের লিচুবাগান এলাকার একটি ড্রেনে প্লাস্টিকের বস্তাবন্দি অবস্থায় বর্ষার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি বলেন, কোতোয়ালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। তদন্তের একপর্যায়ে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ অভিযুক্ত লক্ষ্মণ কান্তি দাশকে গ্রেপ্তার করে।
তিনি আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে ডকে থাকা অভিযুক্তকে শনাক্ত করেন। মামলার তদন্তে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।
