বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের দুই মাস পর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সঙ্গে প্রথমবারের মতো সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ভারতের প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং সরকারি দল বিজেপির প্রভাবশালী নেতা দীনেশ ত্রিবেদী। সোমবার বেলা ১১টায় রাজধানী ঢাকার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই দ্বিপক্ষীয় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে জানান, এটি একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। এতে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নানা গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় হাইকমিশনারকে স্বাগত জানান। এ সময় হাইকমিশনার ঢাকায় তার গত দুই মাসের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের গুরুত্বপূর্ণ নানা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয় যে, ভারত শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়া দ্রুত ত্বরান্বিত করবে। একই সঙ্গে শহীদ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত খুনিদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়েও ভারতের প্রতি জোর অনুরোধ পুনর্ব্যক্ত করা হয় বৈঠকে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আরও সামনে এগিয়ে নিতে উপযুক্ত ও আস্থাশীল পরিবেশ তৈরির প্রয়োজনীয়তার ওপর বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ১২ জুন বাংলাদেশে দায়িত্ব নিতে আসেন ভারতের সাবেক রেলমন্ত্রী ও ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সিনিয়র নেতা দীনেশ ত্রিবেদী। ভারত সরকার তাকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর মর্যাদায় কূটনৈতিক প্রতিনিধি হিসেবে ঢাকায় পাঠায়। ২৫ জুন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে আনুষ্ঠানিক পরিচয়পত্র পেশ করেন তিনি।
