শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬

বিদেশে ভ্রমণে নিরাপত্তা, দূতাবাসের সক্রিয়তা ও সরকারের করণীয়

কলকাতার হোটেল অগ্নিকাণ্ড : সাত বাংলাদেশির মৃত্যু যে সতর্কবার্তা

সম্পাদকের ডেস্ক

কলকাতা বাংলাদেশিদের কাছে শুধু প্রতিবেশী ভারতের একটি শহর নয়—চিকিৎসা, ব্যবসা, শিক্ষা, পর্যটন ও কেনাকাটার জন্য এটি দীর্ঘদিনের অন্যতম প্রধান গন্তব্য। কিন্তু সাম্প্রতিক একটি ভয়াবহ হোটেল অগ্নিকাণ্ড সেই পরিচিত গন্তব্যের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাত বাংলাদেশি পর্যটকের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে এসেছে। একই ঘটনায় মোট নয়জনের মৃত্যু এবং আরও কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।

ঘটনাটি শুধু একটি দুর্ঘটনা নয়; এটি বিদেশে ভ্রমণকারী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা সম্পর্কে ব্যক্তি, হোটেল কর্তৃপক্ষ, সংশ্লিষ্ট দেশের প্রশাসন এবং সর্বোপরি বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্ব নিয়ে নতুন করে ভাবার সুযোগ তৈরি করেছে।

ঘুমন্ত অবস্থায় আগুন, বের হওয়ার সুযোগ ছিল না
প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা যায়, ১৯ আগস্ট ভোররাতে কলকাতার নিউ মার্কেটের কাছাকাছি একটি পাঁচতলা ভবনে আগুনের সূত্রপাত হয়। ভবনটিতে একাধিক হোটেল ছিল। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি ঘন ধোঁয়ায় ভবনের ভেতরের পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। অনেক অতিথি তখন গভীর ঘুমে ছিলেন।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভবনটির সরু পথ, জরুরি নির্গমনের সীমাবদ্ধতা এবং অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি উদ্ধারকাজকে কঠিন করে তোলে। কয়েকটি প্রতিবেদনে অগ্নিসংকেত ব্যবস্থা কাজ না করার এবং ভবনের কিছু কক্ষে পর্যাপ্ত জানালা না থাকার কথাও উঠে এসেছে।

আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, কলকাতার নিউ মার্কেট ও আশপাশের এলাকায় পুরোনো ও ঘনবসতিপূর্ণ ভবনে গড়ে ওঠা বহু আবাসিক হোটেলে বাংলাদেশি পর্যটকদের বড় অংশ অবস্থান করেন। সাম্প্রতিক দুর্ঘটনার পর এসব হোটেলের অগ্নিনিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।

কেন বাংলাদেশিরাই বেশি ঝুঁকিতে?
কলকাতায় বাংলাদেশি পর্যটকদের একটি বড় অংশ চিকিৎসা ও চিকিৎসাসংক্রান্ত কাজে যান। অনেক পরিবার দীর্ঘ সময় থাকার জন্য তুলনামূলক কম খরচের আবাসিক হোটেল বেছে নেয়। নিউ মার্কেট, ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, মির্জা গালিব স্ট্রিট ও আশপাশের এলাকায় বাংলাদেশিদের জন্য পরিচিত অসংখ্য হোটেল রয়েছে।

কম খরচের কারণে এসব হোটেল বেছে নেওয়া স্বাভাবিক হলেও কম খরচের সঙ্গে যদি অগ্নিনিরাপত্তার আপস যুক্ত হয়, তাহলে সেটিই বড় বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

একজন বিদেশি পর্যটক স্থানীয় ভাষা, আইন, জরুরি সেবা এবং ভবনের নিরাপত্তা-ব্যবস্থা সম্পর্কে সাধারণত স্থানীয় বাসিন্দার মতো অবগত থাকেন না। ফলে দুর্ঘটনার মুহূর্তে তাঁর ঝুঁকি আরও বেশি।

এখন বাংলাদেশি পর্যটকদের করণীয় কী?
এই মর্মান্তিক ঘটনা থেকে সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো—বিদেশে যাওয়ার সময় হোটেলের দাম ও অবস্থানের পাশাপাশি নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।

১. হোটেল বুকিংয়ের আগে নিরাপত্তা যাচাই
অনলাইনে হোটেল বুকিং করার আগে পর্যটকদের কয়েকটি বিষয় অবশ্যই দেখা উচিত—

হোটেলে জরুরি বহির্গমন পথ আছে কি না;

বিকল্প সিঁড়ি বা ফায়ার এক্সিট রয়েছে কি না;

ফায়ার অ্যালার্ম ও ধোঁয়া শনাক্তকারী যন্ত্র আছে কি না;

অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র কোথায় রাখা আছে;

কক্ষের দরজা থেকে জরুরি বহির্গমন কত দূরে;

ভবনে পর্যাপ্ত জানালা ও বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা আছে কি না;

হোটেলটি বৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না;

সাম্প্রতিক অতিথিদের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত পর্যালোচনা কী বলছে।

শুধু ‘কম দাম’ দেখে হোটেল নির্বাচন করা উচিত নয়।

২. হোটেলে পৌঁছেই ‘Escape Route’ দেখে নেওয়া
হোটেলে ঢোকার পর লাগেজ গোছানোর আগে জরুরি অবস্থায় বের হওয়ার পথটি দেখে নেওয়া একটি ছোট কিন্তু জীবনরক্ষাকারী অভ্যাস হতে পারে।

বিশেষ করে রাতে ঘুমানোর আগে নিকটবর্তী সিঁড়ি, বিকল্প বহির্গমন পথ ও অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের অবস্থান জেনে রাখা প্রয়োজন।

৩. পরিবারকে হোটেলের তথ্য জানানো
বিদেশে অবস্থানের সময় পরিবারের কাছে হোটেলের—

নাম,

ঠিকানা,

ফোন নম্বর,

বুকিং নম্বর,

অবস্থানের সময়সীমা

রেখে যাওয়া উচিত। চিকিৎসার উদ্দেশ্যে গেলে হাসপাতাল ও চিকিৎসকের তথ্যও পরিবারের কাছে থাকা প্রয়োজন।

৪. জরুরি যোগাযোগ নম্বর সংরক্ষণ
ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট দেশের স্থানীয় জরুরি সেবা এবং বাংলাদেশ মিশনের যোগাযোগ নম্বর মোবাইলে সংরক্ষণ করা উচিত। কলকাতার সাম্প্রতিক দুর্ঘটনার পর বাংলাদেশ উপহাইকমিশন বাংলাদেশিদের সহায়তার জন্য হেল্পলাইনও চালু করেছিল।

বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের করণীয়
সাম্প্রতিক ঘটনার পর কলকাতায় বাংলাদেশের উপহাইকমিশনের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দুর্ঘটনার পর মিশন স্থানীয় প্রশাসন ও হাসপাতালগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে বাংলাদেশি হতাহতদের শনাক্ত করার চেষ্টা করেছে।

তবে ভবিষ্যতের জন্য এ কার্যক্রমকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক করা প্রয়োজন।

১. কলকাতার বাংলাদেশি পর্যটক-সহায়তা কেন্দ্র
কলকাতায় একটি ২৪ ঘণ্টার বাংলাদেশি পর্যটক সহায়তা হটলাইন থাকা দরকার। শুধু দুর্ঘটনার সময় নয়, হোটেল-সংক্রান্ত অভিযোগ, নিখোঁজ, হাসপাতালে ভর্তি, পাসপোর্ট হারানো কিংবা জরুরি আইনি সহায়তার ক্ষেত্রেও এটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

২. নিরাপদ হোটেলের তালিকা
কলকাতার স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে বাংলাদেশ মিশন অগ্নিনিরাপত্তা ও বৈধতার মানদণ্ড পূরণকারী হোটেলগুলোর একটি তথ্যভিত্তিক তালিকা তৈরি করতে পারে।

তালিকাটি মিশনের ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা হলে বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য তা অত্যন্ত কার্যকর হবে।

৩. ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি
কলকাতাসহ ভারতের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে যাওয়ার আগে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নিয়মিত Travel Safety Advisory প্রকাশ করা যেতে পারে।

বিশেষ করে কোন এলাকায় পুরোনো ভবন বেশি, কোথায় হোটেল নির্বাচনে সতর্ক হতে হবে, জরুরি পরিস্থিতিতে কী করতে হবে—এসব তথ্য বাংলায় দেওয়া যেতে পারে।

৪. স্থানীয় হোটেল মালিকদের সঙ্গে সমন্বয়
বাংলাদেশ মিশন চাইলে কলকাতার হোটেল মালিক ও পর্যটন সংগঠনগুলোর সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করতে পারে। বাংলাদেশি পর্যটক বেশি থাকেন—এমন হোটেলগুলোতে অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেতে পারে।

বাংলাদেশ সরকারের করণীয়
এ ঘটনার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—বাংলাদেশ সরকার কি বিদেশে ভ্রমণকারী নাগরিকদের নিরাপত্তাকে একটি পৃথক নীতিগত বিষয় হিসেবে বিবেচনা করবে?

সময় এসেছে বিষয়টি নতুন করে ভাবার।

বিদেশে পর্যটকদের জন্য ‘Safety Protocol’
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পর্যটন মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার সমন্বয়ে বিদেশগামী বাংলাদেশিদের জন্য একটি সংক্ষিপ্ত International Travel Safety Guideline তৈরি করা যেতে পারে।

ভারত, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, নেপাল, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বাংলাদেশিদের জনপ্রিয় গন্তব্যগুলোর জন্য আলাদা সতর্কতা নির্দেশিকা দেওয়া যেতে পারে।

ভারত সরকারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় বিষয়টি তোলা
ভারত বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী ও বাংলাদেশিদের অন্যতম প্রধান ভ্রমণ গন্তব্য। তাই কলকাতায় বাংলাদেশি পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের উচিত ভারতীয় কেন্দ্রীয় ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে বিষয়টি কূটনৈতিকভাবে আলোচনা করা।

বিশেষ করে বাংলাদেশি পর্যটক বেশি থাকেন এমন এলাকায় হোটেলগুলোর অগ্নিনিরাপত্তা, বৈধতা ও জরুরি বহির্গমন ব্যবস্থা নিয়মিত পরিদর্শনের বিষয়ে জোর দেওয়া যেতে পারে।

দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে সহায়তা
বিদেশে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক দুর্ঘটনায় মারা গেলে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা, পরিচয় শনাক্তকরণ, কাগজপত্র, আইনি প্রক্রিয়া ও পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ—এসব ক্ষেত্রে একটি দ্রুততর সরকারি প্রটোকল থাকা প্রয়োজন।

শুধু কলকাতা নয়, বিশ্বের যেকোনো দেশে বাংলাদেশি নাগরিকের বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটলে যেন একটি কেন্দ্রীয় Crisis Response Mechanism দ্রুত সক্রিয় হয়।

পর্যটন ব্যবসায়ীদেরও দায়িত্ব আছে
বাংলাদেশি ট্রাভেল এজেন্সি ও ট্যুর অপারেটরদের দায়িত্বও কম নয়। তারা শুধু কম দামের হোটেল খুঁজে দেওয়ার পরিবর্তে নিরাপত্তা-মান যাচাই করে হোটেল নির্বাচন করতে পারেন।

হোটেল বুকিংয়ের ক্ষেত্রে ‘সেফটি চেকলিস্ট’ চালু করা যেতে পারে। বিশেষ করে পরিবার, শিশু ও বয়স্কদের জন্য হোটেল নির্বাচনের সময় অগ্নিনিরাপত্তাকে বাধ্যতামূলক বিবেচ্য করা উচিত।

দুর্ঘটনার পর নয়, আগেই সতর্কতা
কলকাতার এই অগ্নিকাণ্ডের সবচেয়ে বড় শিক্ষা এখানেই—দুর্ঘটনা ঘটার পর তদন্ত, ক্ষতিপূরণ ও শোকপ্রকাশের চেয়ে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

কলকাতা প্রশাসনও ঘটনার পর হোটেল-লজ ও গেস্টহাউসগুলোর অগ্নিনিরাপত্তা পর্যালোচনার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে।

কিন্তু শুধু একটি দুর্ঘটনার পর কয়েকটি হোটেল পরিদর্শন করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। প্রয়োজন নিয়মিত পরিদর্শন, কঠোর প্রয়োগ এবং জবাবদিহি।

কলকাতার হোটেল অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো বাংলাদেশি নাগরিকদের মৃত্যু নিছক একটি দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান নয়। তাঁদের প্রত্যেকেই ছিলেন একটি পরিবারের সদস্য, কারও বাবা-মা, কারও সন্তান, কারও স্বামী বা স্ত্রী। চিকিৎসা, ব্যবসা কিংবা পর্যটনের উদ্দেশ্যে বিদেশে গিয়ে যদি একটি অনিরাপদ হোটেল তাঁদের জীবনের শেষ ঠিকানা হয়ে ওঠে, তাহলে প্রশ্ন শুধু হোটেল কর্তৃপক্ষের নয়—আমাদের প্রস্তুতি ও সচেতনতারও।

বাংলাদেশি পর্যটকদের মনে রাখতে হবে—ভ্রমণে সাশ্রয় গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু জীবনের চেয়ে সস্তা কোনো হোটেল হতে পারে না।

আর বাংলাদেশ সরকারের জন্য এই ঘটনা একটি স্পষ্ট বার্তা—বিদেশে থাকা বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা শুধু কনস্যুলার সেবার বিষয় নয়; এটি এখন নাগরিক সুরক্ষা ও কূটনৈতিক দায়িত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সাত বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যু তাই যেন কেবল শোকের কারণ হয়ে না থাকে। এই মৃত্যুর বিনিময়ে যদি বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য আরও নিরাপদ ভ্রমণব্যবস্থা, আরও সক্রিয় দূতাবাস এবং আরও কার্যকর সরকারি সুরক্ষা কাঠামো তৈরি হয়, তাহলেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা হতে একটি অর্থবহ শিক্ষা পাওয়া সম্ভব।

সম্পর্কিত খবর

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অভিযানে পিচ্চি জাহিদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ১২, স্বীকারোক্তি ১ জনের

চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে জাহেদুল আলম (৩৩) ওরফে ‘পিচ্চি জাহিদ’কে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এজাহারনামীয় ১২ জন আসামিকে গ্রেপ্তার...

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় পুনরায় সার উৎপাদনে যাচ্ছে সিইউএফএল

চট্টগ্রাম : চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল) ইউরিয়া সারের প্রধানতম কাঁচামাল অ্যামোনিয়া গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় পুনরায় সার উৎপাদনে যাচ্ছে এবং মেকানিক্যাল ত্রুটি সারিয়ে...

চট্টগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ সড়কে উন্নয়ন কাজে গতি আনতে রাতে সরেজমিনে চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম নগরীতে দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অপেক্ষায় থাকা অক্সিজেন-মুরাদপুর সড়কের উন্নয়নকাজ এগিয়ে যাওয়ায় এ পথে চলাচলকারী নগরবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরছে। বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রাম সিটি...

অপরাধ দমন ও মাদক উদ্ধারে বিশেষ অবদানে শ্রেষ্ঠ ওসি পুরস্কৃত হলেন ফরিদা ইয়াসমিন

চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নির্বাচিত হয়েছেন মীরসরাই থানার ফরিদা ইয়াসমিন। এর আগেও তিনি জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছিলেন। মঙ্গলবার (...

মাদার তেরেসা অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত চট্টগ্রাম জেলা নাজির আরিফ হোসেন

চট্টগ্রাম : মাদার তেরেসা পিস অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ পদকে ভূষিত হয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উপসহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা (জেলা নাজির) আরিফ হোসেন। মাদার তেরেসার ১১৬তম জন্মবার্ষিকী...

একনেকে ১২টি প্রকল্প অনুমোদিত : রাজধানীতে ৩টি নতুন মেট্রোরেল প্রকল্প

ছবি - সংগৃহীতআজ বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত একনেকের বৈঠকে রাজধানী ঢাকায় তিনটি মেট্রোরেলসহ মোট ১২টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ...
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত