ইস্টার সান ডে বা পুনরুথাথান রবিবার যিশু খ্রীষ্টের মৃত্যু থেকে জীবিত হওয়াকে স্মরন করিয়ে দেয়।
মৃত্যু থেকে পুনরুথাথান উদযাপন সমগ্র বিশ্বের খ্রীষ্টানদের মধ্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা। যিশুর জন্ম হয় বেথলেহেমে একটি সাধারন গোশালায় বা গরুর ঘরে এবং তখন থেকে খ্রিস্টাব্দ গননা শুরু হয়। তিনি তার জীবনের মাধ্যমে দয়া, সুশিক্ষা এবং ধারমিকতা প্রদর্শন করেন। তিনি প্রেম, ক্ষমা ও ঈশ্বরের রাজ্যের কথা বলেন। তাঁর এই জগতে প্রায় তিন বছর তিনি তার কাজ অব্যাহত রেখেছিলেন, এবং এই সময়ে তিনি অনেক অনুসারী গ্রহন করেন।
দুর্ভাগ্যবশত, ৩৩ খ্রিস্টাব্দে যিশুকে রোমান শাসকদের দ্বারা ক্রুশবিদ্ধ করা হয়, যা তখনকার ধর্মীয় নেতাদের একটি ষড়যন্ত্র ছিল যারা তাঁকে হুমকি মনে করেছিল। এই ক্রুশবিদ্ধ হওয়া ছিল একটি নির্মম ঘটনা, যা ধর্মীয় শিক্ষা এবং সামাজিক নিয়মকে চ্যালেঞ্জ করেছিল।
যিশুর মৃত্যু মানুষের পাপের জন্য প্রায়শ্চিত্ত করেছে, এবং তিন দিনের পর তাঁর পুনরুত্থান হল পাপ এবং মৃত্যুর বিরুদ্ধে জয়লাভের শক্তিশালী বার্তা।
ইস্টার রবিবারের এই পুনরুত্থান শুধু যিশুর বিজয়কেই দেখায় না, বরং বিশ্বাসীদের জন্য চিরন্তন জীবনেরও প্রতিশ্রুতি দেয়। এই ঘটনা তাঁর শিষ্যদের শক্তি দেয়, যা পরবর্তীতে খ্রীষ্টধর্মকে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দেয়। যখন মানুষ এই দিনে একত্রিত হয়, ইস্টারের এই বার্তা ফুটে ওঠে: জীবন মৃত্যুতে বিজয়ী, আশা হতাশায়, এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে নবজন্মের সম্ভাবনা। এটি অসংখ্য মানুষকে অনুপ্রাণিত করে তাদের ভবিষ্যতকে বিশ্বাস এবং ভালোবাসায় গ্রহণ করতে, যা ইস্টারের মূলসত্তা।
যাজক বার্নোবা গোমেজ
বেথলেহেম এ.জি. চার্চ
চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ।
