চট্টগ্রামে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বোধন আবৃত্তি স্কুল চট্টগ্রাম’র সৃষ্টিশীল ৬৪ আবর্তনের সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে কথামালা ও সনদপত্র বিতরণ পর্বে আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন কবি ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মুজিব রাহমান, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ অপর্ণা দেব। সভাপতিত্ব করেন বোধনের সাধারণ সম্পাদক এস এম আব্দুল আজিজ। এসময় বক্তারা বলেন, সুন্দর কিছু উপস্থাপনে সর্বপ্রথম বাচনশৈলী ও শ্রুতি সুখকর হওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কবিতা শব্দের শিল্প উল্লেখ করে এসময় তাঁরা বলেন আবৃত্তিকাররা শব্দ দিয়ে ভয়েস পেইন্টিং বানান। এজন্য যারা কবিতার ও সৌন্দর্য্যের সাথে আছে তারা সবসময় অন্যরকম ভাবে। বোধনে যারা যুক্ত হয়েছেন তারা শুধু কবিতার আবৃত্তি শেখা নয়, রবীন্দ্র ও নজরুলকে শেখা নয়, আরো একটি বড় জগতে প্রবেশ করেছেন বলেও মন্তব্য করেন বক্তারা। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বোধন আবৃত্তি পরিষদ চট্টগ্রামের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বিপ্লব কুমার শীল। কথামালা শেষে উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

এরপর বড়দের বিভাগের উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থীরা একক আবৃত্তি করেন। যেখানে কবিতার পংক্তিতে স্বদেশপ্রেমের আকাঙ্খা ও প্রকৃতির ভূমিকায় যাপিত জীবনের বাস্তবতার নিরিখের পটভূমি উন্মুখ হয়ে উঠে। জীবন যুদ্ধে বিবেকবোধ জাগুরুক রাখে আবৃত্তিশিল্পী সুচয়ন সেনগুপ্ত’র গ্রন্থণা ও নির্দেশনায় “জাগরণ” শীর্ষক বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশনায়। সমাবর্তনের শেষটা রাঙিয়ে রাখে বোধনের শিশুবিভাগের শিক্ষার্থীদের বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশনায়। সঞ্জয় পালের গ্রন্থণায় ‘আমাদের শৈশব” পরিবেশনায় শিশুরা় মাতিয়ে রাখে পুরো মিলনায়তন। পুরো আয়োজনের সঞ্চালনায় ছিলেন আবৃত্তিশিল্পী শ্রাবণী বড়ুয়া ও ইভান পাল। অনুষ্ঠানর একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন সৃষ্টিশীল ৬৪ আবর্তনের অর্পিতা মুহুরী, মেঘনা বড়ুয়া, সৃষ্টি ভট্টাচার্য্য, সীমা সেন,শারমিন আকতার, রীতা ঘোষ, সুমী চৌধুরী, তমালিকা বড়ুয়া, পম্পি বড়ুয়া, শিউলি তালুকদার, শুভা বড়ুয়া, লাবণ্য বড়ুয়া, রুমি চৌধুরী, মুন্নী বড়ুয়া, সুবর্ণা চৌধুরী, সোমা চৌধুরী, মোহাম্মদ আরমান, লতিফা আনসারী রুনা, উদ্দিপ্তা রোহিতা বিশ্বাস।
