২৩ বছরের আগে নগরী বাদামতলি এলাকায় এক ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও অন্য তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আক্কাস এই রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিতরা হলেন- জামাল উদ্দিন জামাল ওরফে মৌ এবং মো. এরশাদ ওরফে হিরু। এদের মধ্যে এরশাদ কারাগারে আছেন। আর জামাল পলাতক। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত আসামিরা হলেন- মনির হোসেন মনির, আলমগীর ওরফে আঙ্গুর ওরফে পিচ্চি আলমগীর এবং মো. রাশেদ ওরফে হাসি মিয়া। তাদের মধ্যে আলমগীর ও রাশেদ কারাগারে আছেন। তবে মনির পলাতক।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, মাছের আড়তের কর্মচারী ইদু মিয়া নগরীর ডবলমুরিং থানার বাদামতলি শেখ মুজিব রোডের বাসিন্দা ছিলেন। তার বোনকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা জামাল উদ্দিন। ইদু মিয়া সেই প্রস্তাব প্রত্যাখান করেছিলেন। এরপর ২০০৩ সালের ৩ জানুয়ারি দুপুরে বাড়ির কাছে একটি কবরস্থানে ইদু মিয়ার লাশ পাওয়া যায়। তার গলা কেটে এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছিল।
ইদু মিয়ার খুনের ঘটনায় তার ভাই মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন বাদি হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে দেয়া অভিযোগপত্রে পুলিশ ৫ জনকে আসামি করে। বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখান করায় জামাল উদ্দিন আরো চার সঙ্গীকে নিয়ে ইদু মিয়াকে হত্যা করেছিল বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ। এই মামলায় ২০০৬ সালে আদালতে অভিযোগ গঠন করা হয়। মামলায় ৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার এই রায় দেয়া হল।
