দেশের চামড়ার বড় যোগান আসে ঈদুল আজহা থেকে। কোরবানি এলেই পশুর চামড়া ঘিরে ব্যাপক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু হয়। মৌসুমি ব্যবসায়ী, মাদ্রাসা ও এতিমখানার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা চামড়া সংগ্রহ করেন। এতে মৌসুমি ব্যবসায়ীদের বাড়তি আয় হওয়ার পাশাপাশি এতিমখানা ও মাদ্রাসাগুলোর বছরব্যাপী খরচের একটি অংশ কোরবানির চামড়ার মূল্য দিয়ে যোগান দেওয়া হয়।কোথাও কোথাও ক্রেতাও যায়নি, পোঁতা হয়েছে মাটিতে লোকসানে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা । বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করলেও এবারের ঈদে কাঁচা চামড়ার বাজারে মিলেনি তার প্রতিফলন। চট্টগ্রাম শহর এবং গ্রামাঞ্চলে পানির দরে বিক্রি হয়েছে কাঁচা চামড়া। কোথাও কোথাও ক্রেতাও যায়নি। শত শত গরু–মহিষের চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে। এবারের কোরবানিতে চামড়ার ন্যায্য মূল্য পেলেন না চামড়া ব্যবসায়ীরা। ছবিতে চামড়ার সংরক্ষণের গল্প…ছবি কমল দাশ












