চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম নগরীর আগ্রাবাদে আবাসিক ভবন নির্মাণের অনুমোদন নিয়ে দুই তলা বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। অনুমোদিত নকশা অনুসরণ না করে ভবনের নিচতলায় গোডাউন এবং সড়কের পাশে দোকান নির্মাণ করে তা ভাড়া দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে অনিয়মের বিষয়ে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) অথরাইজেশন কার্যালয় থেকে পরপর দুটি নোটিশ দেওয়া হলেও তা উপেক্ষা করে স্থাপনাটিতে বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন অভিযুক্ত মালিক হাজী এয়াকুব আলী ভূঁইয়ার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম ও তাঁর মেয়ে মোছাম্মৎ সামছুন নাহার বেগম।
জানা গেছে, আগ্রাবাদের বিএস ৯৭০৬ দাগ নম্বরের পৌনে পাঁচ কাঠা জমিতে ইমারত নির্মাণ আইন, ১৯৫২ ও পরবর্তী সংশোধনী আইনের আওতায় আধা-পাকা আবাসিক ইমারত নির্মাণের অনুমোদন দেয় ( চউক)। প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদনের শর্ত অনুযায়ী, অনুমোদিত নকশা অনুসরণ করেই নির্মাণকাজ করার কথা। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, আবাসিক স্থাপনার অনুমোদন নিয়ে সেখানে নির্মাণ করা হয়েছে দুইতলা ভবন। ভবনের নিচতলায় গোডাউন করা হয়েছে। একইসঙ্গে সড়কের পাশে তৈরি করা হয়েছে একাধিক দোকান। এসব স্থাপনা আবাসিক ব্যবহারের বদলে বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, স্থাপনাটির বিরুদ্ধে সিডিএ’র অথরাইজেশন কার্যালয় থেকে পরপর দুটি নোটিশ দেওয়া হলেও অবৈধ নির্মাণ ও বাণিজ্যিক ব্যবহার বন্ধ হয়নি।
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অথরাইজড অফিসার-২ তানজিব হোসেন বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে রয়েছে। এর আগে দুইবার নোটিশও দেওয়া হয়েছে। ওই স্থাপনার অনুমোদিত নকশা ও বর্তমান নির্মাণকাজ সরেজমিন পরিদর্শন করে দেখা হবে। অনুমোদিত নকশার বাইরে কোনো নির্মাণ হয়ে থাকলে এবং আবাসিক ব্যবহারের অনুমোদন নিয়ে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা হলে তা বিধি অনুযায়ী অনিয়ম হিসেবে বিবেচিত হবে। তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
