রাজধানীর একটি স্কুল পড়ুয়া ছেলে অপহরণ হওয়ার খবর শুনে সচিবালয়ের কর্মচারী বাবা দিকভ্রান্ত হয়ে পড়ে। কাঁদতে কাঁদতে তিনি চলে যান প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে। সামনাসামনি পেয়ে ঘটনাটি জানান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে। খবর শুনেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনান তারেক রহমান সরাসরি ফোন করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলমকে। অতঃপর জনাব তারেক রহমানের নির্দেশে তাৎক্ষণিক অভিযানে গিয়ে পুলিশ এক ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ধার করে ওই স্কুলছাত্রকে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা তৈরি হয়েছে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রশংসার পাশাপাশি অনেকে পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপেরও কৃতিত্ব দিচ্ছেন।
পুলিশ জানায়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে ডিএমপির রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদ আলমকে ফোন করে একজন স্কুলছাত্র অপহরণের বিষয়টি অবহিত করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর কল পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ডিসি মাসুদ আলম অপহৃত স্কুলছাত্রের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপর দ্রুত একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এক ঘণ্টার মধ্যেই ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
খিলগাঁওয়ের জোড়পুকুর চামেলীবাগ এলাকার একটি বহুতল নির্মাণাধীন ভবনের সপ্তম তলা থেকে বিকেল ৫টার দিকে অপহৃত স্কুলছাত্রটিকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার পরবর্তী সতর্কতা হিসেবে শিক্ষার্থীকে একটি হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসকের মাধ্যমে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। বর্তমানে সে সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছে।
উপ-পুলিশ কমিশনার মো. মাসুদ আলম জানান, উদ্ধার অভিযানের সময় ঘটনাস্থলে কোনো অপহরণকারীকে পাওয়া যায়নি। তবে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও জানান, উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থীর বয়স আনুমানিক ১৩ থেকে ১৪ বছর। সে রাজধানীর একটি বেসরকারি স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র। শিক্ষার্থীর বাবা সচিবালয়ে কর্মরত।
