ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দিরের সম্পত্তি উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধনে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে নারীসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। তবে হামলার মুখেও বিক্ষোভ কর্মসূচি চালিয়ে যান হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। সূত্র – বিডিনিউজ২৪.কম।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর ২টার দিকে শ্রী শ্রী মোহনলাল জিউর মন্দির থেকে শত শত নারী-পুরুষ একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। এক পর্যায়ে তারা দখল হয়ে যাওয়া জমিতে গিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় স্থানীয় সহিদ মিয়া ও তার লোকজন মিছিলে বাধা দেন। এক পর্যায় বিক্ষোভকারীদের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। মুহূর্তেই ২০ থেকে ২৫ জন লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়। পরে তারা সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।
মন্দির কমিটির নেতাদের দাবি, মন্দিরের জায়গা নিয়ে মামলা চলমান অবস্থায় প্রতিবেশী সহিদ মিয়া সেখানে বালু ফেলে দখল করেন। এ ছাড়া খালের ওপর মাটি ফেলা হয়। মন্দিরের জায়গা রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন করতে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে সহিদ মিয়া বলেন, মন্দিরের জায়গায় তিনি মাটি ফেলেননি। যেটি খাল দেখা যায় সেটি আসলে জমি। মানববন্ধনে তাদের কেউ হামলা করেনি। একটি চক্র এর পেছনে কাজ করছে।
ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন বলেন, “জমি নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছে। দুপক্ষই নিজের জায়গা বলে দাবি করেন। আদালতে মামলা চলমান, বিধায় মীমাংসা করা যায়নি। তবে খাল দখল করতে সহিদকে নিষেধ করা হয়েছে। তবে দিনে না করে রাতে তিনি (সহিদ) খাল ভরাট করেন।” সরাইল থানার ওসি মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি; তবে পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
