চট্টগ্রামে হাম আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এরসাথে নিউমোনিয়ার রোগীও ভর্তি হতে দেখা গেছে।
হামের উপসর্গ নিয়ে আসা শিশুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ‘হাম কর্নার’ স্থানান্তর করা হয়েছে মেডিসিন ইউনিটের ১ নম্বর ওয়ার্ডে।
স্বাস্থ্য বিভাগ আশা করছে টিকা কার্যক্রম চলমান থাকায় ধীরে ধীরে হাম আক্রান্তের সংখ্যা কমবে। হামের সংক্রমণ ঠেকাতে টিকা দেওয়ার উপর গুরুত্ব দিচ্ছে তারা। পাশাপাশি নিউমোনিয়া থেকে শিশুদের রক্ষা করতে অতিরিক্ত রোদে না যাওয়া, ঠান্ডা কিছু না খাওয়া এবং জ্বর ও সর্দি হলে চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
হামের কারণ মিজলস ভাইরাস শিশুদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। ফলে ফুসফুস সহজে সংক্রমিত হয়ে নিউমোনিয়ার আশঙ্কা বাড়ে। চিকিৎসকরা বলছেন, গ্রীষ্মে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করলেও নিউমোনিয়া সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়ে। হামজনিত এবং আবহাওয়াজনিত প্রভাব— দুই কারণেই এখন নিউমোনিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। দেশে এখন হামের টিকা পর্যাপ্ত পরিমানে আছে। অবিলম্বে অভিভাবকদের নিজ নিজ বাচ্চাদের টিকা দিতে সচেতন হতে তারা পরামর্শ দিছেন।
