শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬

ভুটানের ‘স্বপ্নের শহর’—যেখানে উন্নয়নের সঙ্গে মিলবে সুখ, শান্তি ও প্রকৃতির সহাবস্থান

গোলেফ মাইন্ডফুলনেস সিটি: বৌদ্ধ দর্শন, প্রকৃতি ও আধুনিক অর্থনীতির এক অভিনব নগর-পরিকল্পনা

ভূটানের রাজা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে ভূটানের এই উচ্চাভিলাষী প্রকল্পে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

শিশির পারিয়াল

একদিকে দ্রুতগতির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, অন্যদিকে জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ বিপর্যয়, নগরজীবনের মানসিক চাপ ও ক্রমবর্ধমান বৈষম্য—আধুনিক পৃথিবীর প্রচলিত নগর উন্নয়ন মডেলগুলো যখন নানা প্রশ্নের মুখে, তখন হিমালয়ের ছোট্ট দেশ ভুটান সামনে এনেছে এক সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারণা। সেই ধারণার নাম ‘গোলেফ মাইন্ডফুলনেস সিটি’ (Gelephu Mindfulness City—GMC)।

এটি শুধু একটি নতুন শহর নির্মাণের প্রকল্প নয় বরং অর্থনীতি, পরিবেশ, প্রযুক্তি, আধ্যাত্মিকতা ও মানুষের জীবনমানকে একই কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসার একটি উচ্চাভিলাষী প্রয়াস। ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক ২০২৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর দেশটির ১১৬তম জাতীয় দিবসের ভাষণে এই প্রকল্পের ঘোষণা দেন। লক্ষ্য—দক্ষিণ ভুটানে এমন একটি নতুন অর্থনৈতিক কেন্দ্র গড়ে তোলা, যেখানে আধুনিক উন্নয়ন হবে ভুটানের ঐতিহ্য, বৌদ্ধ দর্শন ও Gross National Happiness (GNH)-এর মূল্যবোধকে ভিত্তি করে।

কোথায় গড়ে উঠছে এই ‘মাইন্ডফুলনেস সিটি’?
ভুটানের দক্ষিণাঞ্চলের সারপাং জংখাগে, ভারতের আসাম রাজ্যের সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় গড়ে উঠছে GMC। এর মাস্টারপ্ল্যানের আওতা প্রায় ২,৫০০ বর্গকিলোমিটার। অর্থাৎ আয়তনের দিক থেকে এটি প্রচলিত একটি শহরের চেয়ে অনেক বড় একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল বা Special Administrative Region (SAR)।

ভুটানের সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, GMC-কে চারটি প্রধান পর্যায়ে উন্নয়ন করা হবে। প্রথম পর্যায় ২০২৫–২০৩৫, দ্বিতীয় পর্যায় ২০৩৬–২০৪৫, তৃতীয় পর্যায় ২০৪৬–২০৬৫ এবং চতুর্থ বা Consolidation পর্যায় ২০৬৬–২১২৫ পর্যন্ত বিস্তৃত। প্রথম পর্যায়ে বিদ্যমান গোলেফু শহরের সম্প্রসারণ, নতুন নগরকেন্দ্র এবং বিমানবন্দর উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় জনসংখ্যা ধীরে ধীরে প্রায় ১০ লাখে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে। সরকারি পরিকল্পনায় ২০২৫ সালের প্রায় ৪৮ হাজার বাসিন্দা থেকে ২১২৫ সালের মধ্যে এই জনসংখ্যায় পৌঁছানোর ধারণা করা হয়েছে।

মাইন্ডফুলনেস’ কেন?
প্রকল্পটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক এখানেই।সাধারণত আধুনিক শহর পরিকল্পনার কেন্দ্রে থাকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, ব্যবসা, আবাসন, যোগাযোগ ও প্রযুক্তি। GMC-এর ধারণায় এগুলোর সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে মানুষের মানসিক সুস্থতা, আধ্যাত্মিকতা, সামাজিক সম্প্রীতি ও প্রকৃতির সঙ্গে ভারসাম্য।

ভুটানের রাষ্ট্রীয় দর্শন ‘Gross National Happiness’—অর্থাৎ শুধু GDP দিয়ে দেশের উন্নয়ন মাপা নয়, বরং মানুষের সামগ্রিক সুখ ও কল্যাণকে উন্নয়নের অন্যতম মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা—এই প্রকল্পের অন্যতম ভিত্তি। GMC-এর পরিকল্পনা ভুটানের GNH-এর নয়টি ক্ষেত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মানসিক সুস্থতা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, জীবনযাত্রার মান, সময়ের ব্যবহার, পরিবেশগত বৈচিত্র্য ও স্থিতিস্থাপকতা, সুশাসন, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এবং সামাজিক সংহতি।

অর্থাৎ, এখানে শহর হবে মানুষের জন্য—শুধু অর্থনীতির জন্য নয়।

কেমন হবে গোলেফু?
GMC-এর পরিকল্পনায় আধুনিক স্থাপত্যের সঙ্গে ভুটানের ঐতিহ্য ও প্রাকৃতিক ভূদৃশ্যকে যুক্ত করা হয়েছে। নদী, বন, জলাভূমি ও সবুজ অঞ্চলকে শহরের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

শহর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ভাষায়, নগর পরিকল্পনার লক্ষ্য হচ্ছে এমন একটি শহর তৈরি করা, যা হবে livable, resilient, sustainable and spiritually grounded—অর্থাৎ বসবাসযোগ্য, দুর্যোগসহনশীল, টেকসই এবং আধ্যাত্মিক মূল্যবোধে ভিত্তিশীল। পরিকল্পনায় সবুজ করিডর, পার্ক, জলব্যবস্থাপনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও পরিবেশবান্ধব অবকাঠামোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

অর্থনীতির নতুন ইঞ্জিন
তবে GMC কেবল শান্তি ও ধ্যানের শহর নয়। বরং ভুটানের অর্থনীতিকে নতুন করে সাজানোর অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হিসেবেও এটিকে দেখা হচ্ছে।

ভুটান সরকারের ২০২৫ সালের State of the Nation প্রতিবেদনে GMC-কে দেশের অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত ও বহুমুখীকরণের প্রধান কৌশলগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একই প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রকল্পটির জন্য মাস্টারপ্ল্যান সম্পন্ন হয়েছে এবং বিমানবন্দর, সড়ক, পানি ব্যবস্থা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর প্রস্তুতিমূলক কাজ এগিয়ে যাচ্ছে।

GMC-এর আটটি অগ্রাধিকার খাত হলো—

আধ্যাত্মিকতা ও বৌদ্ধ সংস্কৃতি

স্বাস্থ্য ও ওয়েলনেস

শিক্ষা ও জ্ঞান

কৃষি-প্রযুক্তি ও বনসম্পদ

সবুজ জ্বালানি ও প্রযুক্তি

ফাইন্যান্স ও ডিজিটাল অ্যাসেট

এভিয়েশন ও লজিস্টিকস

পর্যটন।

এর ফলে ভুটান ঐতিহ্যগত পর্যটননির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে প্রযুক্তি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সবুজ শিল্প, ডিজিটাল অর্থনীতি ও আঞ্চলিক বাণিজ্যের দিকে এগোতে চায়।

বিমানবন্দর ও আঞ্চলিক যোগাযোগ
GMC-এর সাফল্যের অন্যতম পূর্বশর্ত হচ্ছে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা। এ জন্য নতুন Gelephu International Airport প্রকল্পকে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

মাস্টারপ্ল্যানে বিমানবন্দর, সড়ক ও ভবিষ্যৎ রেল সংযোগের মাধ্যমে ভুটানকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এখানেই গোলেফুর ভৌগোলিক অবস্থান বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। ভারত-বাংলাদেশসহ বৃহত্তর দক্ষিণ এশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে দক্ষিণ ভুটানের এই অঞ্চল ভবিষ্যতে একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক প্রবেশদ্বারে পরিণত হতে পারে।

ভারত ও বাংলাদেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ
GMC-এর অবস্থান বাংলাদেশের জন্যও বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। ভুটানের দক্ষিণাঞ্চল ভারতের আসামের কাছাকাছি। ফলে ভবিষ্যতে ভারতীয় উত্তর-পূর্বাঞ্চল, বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে বাণিজ্য, পর্যটন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও লজিস্টিক যোগাযোগ বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হতে পারে।

GMC Investment and Development Corporation-এর তথ্য অনুযায়ী, অঞ্চলটি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রায় ২.৭ বিলিয়ন মানুষের বাজারসংবলিত একটি বৃহৎ ভৌগোলিক অঞ্চলের সংযোগস্থলে অবস্থান করছে।

বাংলাদেশের জন্য এর সম্ভাব্য গুরুত্ব আরও বাড়তে পারে যদি ভবিষ্যতে ত্রিপক্ষীয় বা বহুপক্ষীয় আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থা শক্তিশালী হয়। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং ভুটানের মধ্যে পর্যটন ও পণ্য পরিবহনের নতুন রুট তৈরির সম্ভাবনাও তখন সামনে আসতে পারে।

শুধু ‘স্মার্ট সিটি’ নয়
বিশ্বে বর্তমানে ‘Smart City’ ধারণা বহুল আলোচিত। কিন্তু GMC-এর পরিকল্পনাকারীরা এটিকে প্রচলিত স্মার্ট সিটির ধারণার চেয়েও আলাদা জায়গায় রাখতে চাইছেন।

স্মার্ট সিটিতে যেখানে প্রযুক্তি, ডেটা ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ, GMC-এর দর্শনে প্রযুক্তির পাশাপাশি প্রশ্ন করা হচ্ছে—মানুষ কতটা সুখী? প্রকৃতি কতটা নিরাপদ? সমাজ কতটা সংযুক্ত? এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মানুষের জীবনমান কতটা উন্নত করছে?

এ কারণে ‘Mindfulness’ এখানে শুধু ধ্যান বা আধ্যাত্মিক অনুশীলনের নাম নয়; বরং এটি নগর পরিকল্পনা ও অর্থনৈতিক নীতির একটি দর্শন।

বিশ্বের জন্য নতুন মডেল?
GMC-এর সবচেয়ে বড় আকর্ষণ সম্ভবত এখানেই।ভুটান পৃথিবীর অন্যতম পরিবেশবান্ধব দেশ হিসেবে নিজের একটি স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করেছে। সেই দেশই এবার এমন একটি নগর গড়ার চেষ্টা করছে যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং পরিবেশ সংরক্ষণকে পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা হবে না।

প্রকল্পটির পরিকল্পনায় সবুজ জ্বালানি, টেকসই নির্মাণ, জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ সুরক্ষা, কৃষি-প্রযুক্তি এবং সবুজ প্রযুক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য GMC একটি ‘one-stop’ বিনিয়োগ সহায়তা ব্যবস্থা গড়ে তুলছে, যেখানে ভূমি, কোম্পানি নিবন্ধন, নিয়ন্ত্রক অনুমোদন ও অন্যান্য প্রক্রিয়ায় বিনিয়োগকারীদের সহায়তার কথা বলা হয়েছে।

চ্যালেঞ্জও কম নয়
এত বড় ও দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প বাস্তবায়ন সহজ নয়। প্রায় ২,৫০০ বর্গকিলোমিটার এলাকার পরিকল্পনা, বিপুল অবকাঠামো নির্মাণ, পরিবেশ সংরক্ষণ, পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বিপুল বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং ভবিষ্যৎ জনসংখ্যার জন্য কর্মসংস্থান তৈরি—সবকিছুই বড় চ্যালেঞ্জ।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হতে পারে—অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক একটি শহর এবং প্রকৃত অর্থে ‘মাইন্ডফুল’ একটি শহরের মধ্যে ভারসাম্য কীভাবে বজায় থাকবে?

বড় বিনিয়োগ, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও উচ্চমূল্যের রিয়েল এস্টেট যেন শেষ পর্যন্ত শহরটির মূল দর্শনকে ছাপিয়ে না যায়, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। একইভাবে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনধারা, সংস্কৃতি ও পরিবেশ যাতে উন্নয়নের চাপে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেদিকেও নজর রাখতে হবে।

ভবিষ্যতের শহরের পরীক্ষাগার
গোলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি এখনও নির্মাণাধীন—তাই এর চূড়ান্ত সাফল্য সম্পর্কে এখনই নিশ্চিত সিদ্ধান্ত দেওয়ার সময় আসেনি। কিন্তু এর ধারণাটি ইতোমধ্যে বিশ্বজুড়ে নগর পরিকল্পনা, পরিবেশ ও অর্থনীতির আলোচনায় একটি ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে।

এটি এমন এক সময়ে সামনে এসেছে, যখন পৃথিবীর বড় বড় শহর ক্রমবর্ধমান যানজট, দূষণ, মানসিক চাপ, আবাসন সংকট ও জলবায়ু ঝুঁকির মুখে পড়ছে। সেই বাস্তবতায় ভুটানের প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ—

শহর কি শুধু মানুষের বসবাস ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের জায়গা হবে, নাকি মানুষের সুখ, মানসিক শান্তি, প্রকৃতি ও আধ্যাত্মিকতারও আশ্রয় হবে? গোলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি সেই দ্বিতীয় প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজছে। হয়তো আগামী কয়েক দশকে গোলেফু প্রমাণ করবে—উন্নয়ন ও প্রকৃতি, আধুনিকতা ও ঐতিহ্য, প্রযুক্তি ও মানবিকতা এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও মানসিক শান্তি—এই আপাত-বিরোধী বিষয়গুলোকে একই শহরের মধ্যে একসঙ্গে ধারণ করা সম্ভব।

আর যদি তা সত্যিই সম্ভব হয়, তবে ভুটানের গোলেফু শুধু একটি নতুন শহর থাকবে না; এটি হয়ে উঠতে পারে আগামী দিনের মানবিক ও টেকসই নগরসভ্যতার একটি পরীক্ষাগার।

তথ্যসূত্র: ভুটান সরকারের State of the Nation রিপোর্ট, Gelephu Mindfulness City Authority-এর সরকারি তথ্য ও মাস্টারপ্ল্যান-সংক্রান্ত নথি।

সম্পর্কিত খবর

চট্টগ্রামে হারানো অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত এসব অস্ত্র সমাজের সবার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ : র‍্যাব-৭

চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামে হারিয়ে যাওয়া সরকারি অস্ত্র উদ্ধারে সবার সহযোগিতা চেয়েছে র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, হারানো অস্ত্র উদ্ধার না...

‘কর্ষণে বুননে সৃজনে’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে ‘বিবেক, বিশ্বাস ও মূল্যবোধে দৃঢ় কামরুল হাসান বাদলের অবস্থান স্বতন্ত্র’

‘কামরুল হাসান বাদলের সাহিত্যচর্চার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য তাঁর জোরালো বুদ্ধিবৃত্তিক অবস্থান ও সময়ের প্রতি দায়বদ্ধতা। রাষ্ট্র ও সমাজের নেতিবাচক কর্মকাণ্ড, অনিয়ম, অসংগতি ও অন্যায়ের...

উত্তমকুমার বাংলা সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য এক অধ্যায়

চট্টগ্রাম : উত্তমকুমার বাংলা সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। দশকের পর দশক, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁর অটল অবস্থান সমস্ত বাঙালির অন্তর জুড়ে। মৃত্যুর প্রায়...

মাদার তেরেসা অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত চট্টগ্রাম জেলা নাজির আরিফ হোসেন

চট্টগ্রাম : মাদার তেরেসা পিস অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ পদকে ভূষিত হয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উপসহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা (জেলা নাজির) আরিফ হোসেন। মাদার তেরেসার ১১৬তম জন্মবার্ষিকী...

দেশের একমাত্র সম্পদ জনগণ, সবাইকে নিয়ে নিরাপদ সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চাই : ডিসি জাহিদ

চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামের হোটেল-রেস্তোরাঁয় নিরাপদ খাবার ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে বাবুর্চিসহ খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশনের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের স্বাস্থ্যবিধি ও পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে প্রশিক্ষণ...

চট্টগ্রামে বকেয়া পরিশোধের দাবিতে গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মীদের ‘পথে পথে প্রতিবাদ’

চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামে গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মীদের পাঁচ শতাংশ বিলম্ব বকেয়া পরিশোধের দাবিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে সাংস্কৃতিক প্রতিবাদ কর্মসূচি ‘পথে পথে প্রতিবাদ’। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল...
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত